ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ | বেটা ভার্সন

খুলনায় সজনে ডাটা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ৯৮৪৫ টন

খুলনায় সজনে ডাটা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ৯৮৪৫ টন

খুলনা অঞ্চলের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই) ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৬৯৪ হেক্টর জমিতে ৯ হাজার ৮৪৫ মেট্রিক টন সজনে ডাটা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। গত বছরের তুলনায় এবার উৎপাদনের লক্ষ্যেমাত্রা ৬০ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। খুলনা অঞ্চলের ডিএই’র অতিরিক্ত পরিচালক মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে পতিত জমিগুলোকেও চাষের আওতায় আনা হবে।

এতে মাটি ক্ষয় রোধ হবে ও পরিবেশ সংরক্ষণে সহায়তা হবে। এছাড়া এই উদ্যোগ স্থানীয়দের পুষ্টির চাহিদা পূরণে বড় ধরনের ভূমিকা রাখবে।

প্রকল্পের আওতায় আগামী জুন থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা ও নড়াইল জেলার প্রায় ১ লাখ ১২ হাজার ৭২০ কৃষক সজনের চারা রোপণ করবেন। প্রত্যেক কৃষক তাদের জমির পাশে ৫টি করে চারা লাগাবেন। উদ্যোগের অংশ হিসেবে, রাস্তার ধারে ও খালি জমিতে ২৪ হাজারের বেশি হাইব্রিড ওডিসি-৩ এর স্টেমণ্ডকাটিং রোপণ করা হচ্ছে। ওডিসি-৩ একটি উচ্চফলনশীল জাতের সরিষা। রমজানের আগেই বাগেরহাটজুড়ে এই রোপণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে; চলবে মে মাস পর্যন্ত। পাশাপাশি, জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৫২ হাজার ২২০টি উন্নত স্থানীয় জাতের চারা রোপণ করা হবে।

ডিএই’র অতিরিক্ত পরিচালক রফিকুল ইসলাম আরও বলেন, ‘কৃষকরা শুধু চারাই লাগাবে না, সেগুলোর যথাযথ পরিচর্যাও করবেন।

সজেমিনে দেখা যায়, সম্প্রতি খুলনা-মংলা রেললাইনের পাশে তিন কিলোমিটার জুড়ে চর, সচিবুনিয়া ও ঝোরভাঙ্গা গ্রামের পাশে ওডিসি-৩ এর স্টেমণ্ডকাটিং রোপণ করা হচ্ছে। জেলা প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা মহাদেব কুমার সাহা বলেন, নির্মাণকাজের অনুপযোগী জমিগুলোকে এই কৃষি উদ্যোগের জন্য নির্বাচন করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার এই প্রোগ্রাম আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে। রূপসা ও ডুমুরিয়া উপজেলার মাঠপর্যায়ের পরিদর্শনে দেখা গেছে, ব্যক্তি ও পরিবার পর্যায়েও ব্যাপকভাবে সজনে চাষ হচ্ছে। ডুমুরিয়ার ১৪টি ইউনিয়নের অধিকাংশ বাড়িতে দুই থেকে চারটি করে সজনে গাছ রয়েছে। এছাড়া রাস্তার ধারেও অনেক গাছ লাগানো হয়েছে।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত