
পাবনায় পদ্মা নদী থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় অজ্ঞাতনামা এক কিশোরীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার সকাল ১১টার দিকে পাবনা সদর উপজেলার ভাড়ারা ইউনিয়নের বলরামপুর পীরপুর এলাকায় পদ্মা নদীর তীর থেকে ভাসমান অবস্থায় লাশটি উদ্ধার করা হয়। নিহত ওই কিশোরীর পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ। তবে তার গলায় একটি রুপার চেইন রয়েছে। স্থানীয়দের ধারণা, ধর্ষণের পর তাকে হত্যা করে লাশ নদীতে ফেলে গেছে দুর্বৃত্তরা।
পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম জানান, গতকাল বুধবার সকালে স্থানীয় লোকজন হাত-পা বাঁধা পলিথিনের বস্তা দিয়ে মোড়ানো অবস্থায় লাশটি দেখতে পেয়ে থানায় খবর দেয়। পুলিশ গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। ওসি আরও বলেন, এখনও ওই কিশোরীর পরিচয় পাওয়া যায়নি। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্ত করতে পুলিশ কাজ শুরু করেছে। এলাকার সিসিটিভি ফুটেজসহ সব ধরনের ক্লু খতিয়ে দেখা হচ্ছে
ভাড়ারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সুলতান মাহমুদ এলাকাবাসীর বরাত দিয়ে বলেন, যে স্থানটিতে লাশ পাওয়া গেছে সেখানে গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টা থেকে ১১ টার মধ্যে একটি মাইক্রোবাস যায়। স্থানীয়রা পুলিশ প্রশাসনের গাড়ি ভেবে বাড়ি চলে যায়। ধারনা করা হচ্ছে, ধর্ষণের পর তাকে হত্যা করে ওই গাড়িতে করে এসে লাশটি ফেলে রেখে গেছে দুর্বৃত্তরা।