ঢাকা রোববার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

নিজ এলাকার সার্বিক উন্নয়নে কাজ করতে চান অ্যাটর্নি জেনারেল

নিজ এলাকার সার্বিক উন্নয়নে কাজ করতে চান অ্যাটর্নি জেনারেল

বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেছেন, নাড়ীর টানে তিনি মহেশপুর-কোটচাঁদপুরের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করছেন। কেনো ব্যক্তির উন্নতি নয়, এমন উন্নয়ন কাজে সম্পৃক্ত হতে চান যাতে বিশাল জনগোষ্ঠী উপকৃত হন। গত শুক্রবার বিকালে ঢাকা আগারগাঁও বন ভবনে আয়োজিত মহেশপুর থেকে উঠে আসা কৃতি ব্যক্তিদের সংগঠন, মহেশপুর অফিসার্স ফোরামের বার্ষিক সাধারণ সভা ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি একথা বলেন। ফোরামের সভাপতি, সাবেক অতিরিক্ত সচিব আবুল বাশারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় মহেশপুর ও কোটচাঁদপুরের গুণী সরকারি কর্মকর্তারা বক্তব্য দেন।

ব্যারিস্টার কাজল বলেন, সরকারের সিদ্ধান্ধ অনুযায়ী মহেশপুর ও কোটচাঁদপুরে প্রথম ধাপে যেন স্টেডিয়াম হয় সেজন্য তিনি ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছেন। ঝিনাইদহ-৩ আসনে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট ফাহিমা নাসরিন মুন্নীর মাধ্যমে ডিও দিয়েছেন। আইনমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছেন। মহেশপুর হাসপাতালে চিকিৎসা ব্যবস্থা উন্নয়নে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও স্বাস্থ্য সচিবের সঙ্গে কথা বলে বিদ্যমান সমস্যা সমাধানের ব্যবস্থা করেছেন। দত্তনগর কৃষি ফার্মকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রুপান্তরের প্রসঙ্গে অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার কাজল বলেন, এটি আমার অন্যতম অগ্রাধিকার। আইনমন্ত্রী ও ঝিনাইদহ-৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মতিউর রহমানের সঙ্গে তার কথা হয়েছিল। আইনমন্ত্রীকে অনুরোধ করেছিলেন, ডিও দিতে এবং আইনমন্ত্রী সেটি দিয়েছেন। কোটচাঁদপুর বলুহর বাওড়কে আন্তর্জাতিক মৎস্য প্রজনন গবেষণা কেন্দ্র হিসাবে গড়ে তুলতে তার পরিকল্পনার কথাও তিনি জানান।

মহেশপুর-কোটচাঁদপুরের আইন শৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ে ঝিনাইদহ জেলার ডিসি ও এসপির সঙ্গে কথা বলেছেন বলে অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার কাজল জানান। চোরাচালান রোধে আরও তৎপর হতে বিজিবি মহাপরিচালকের সঙ্গে কথা বলেছেন। বিজিবি মহাপরিচালক তাকে আশ্বস্ত করেছেন। অ্যাটর্নি জেনারেল আরও বলেন, ভালো যেকোন কাজের সহযোগী হতে তিনি প্রস্তুত কিন্তু কোন টাউট-বাটপারকে তিনি আশ্রয় প্রশ্রয় দিবেন না। তিনি তার দায়িত্ব পালনে সবার সহযোগিতা চান।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত