
কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার রাধানগর ইউনিয়নের লক্ষণখোলা-মুগারচর খাল পুনঃখনন প্রকল্পে সরকারি অর্থের সাশ্রয় হয়েছে। প্রকল্পটির জন্য বরাদ্দ করা ৫১ লাখ ৫৩ হাজার ৯৯৫ টাকার মধ্যে ২০ লাখ ২৭ হাজার ৪৯৫ টাকা ব্যয় হয়েছে। অব্যয়িত ৩১ লাখ ২৬ হাজার ৫০০ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, খাল পুনঃখনন প্রকল্পে ওয়েজ খাতে ২৬ লাখ ১৮ হাজার টাকা, ননওয়েজ খাতে ২৫ লাখ ৩১ হাজার ৫৯৫ টাকা এবং সর্দারী মজুরি বাবদ ৪ হাজার ৪০০ টাকাসহ মোট ৫১ লাখ ৫৩ হাজার ৯৯৫ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়নে ব্যয় হয়েছে ২০ লাখ ২৭ হাজার ৪৯৫ টাকা। অব্যয়িত অর্থ নিয়ম মেনে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস সূত্র জানায়, খালে পানি থাকায় শ্রমিক দিয়ে মাটি কাটার কাজ করা সম্ভব হয়নি। ফলে প্রকল্পের আওতায় এসকেভেটর দিয়ে মাটি কাটার কাজ করা হয়েছে এবং সেই অনুযায়ী ব্যয় নির্বাহ করা হয়েছে। শ্রমিকের জন্য বরাদ্দ অর্থ ব্যয় না হওয়ায় তা ফেরত দেওয়া হয়। সরকারি নথিতে দেখা যায়, অব্যয়িত ৩১ লাখ ২৬ হাজার ৫০০ টাকা ‘পূর্ববর্তী অর্থবছরের অতিরিক্ত গৃহীত অর্থ ফেরত’ হিসেবে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে। গত ২৬ জুলাই সোনালী ব্যাংক পিএলসির মাধ্যমে ওই অর্থ জমা দেওয়া হয়। অর্থ জমা গ্রহণের স্লিপে ট্র্যাকিং নম্বর হিসেবে ২৬২৭-০০০৬৩১৫১৫৩ উল্লেখ রয়েছে। এ বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) ফখরুল ইসলাম বলেন, আমরা শুধু এসকেভেটর দিয়ে মাটি কাটার বিল দিয়েছি। খালে পানি থাকায় লেবার কাজ করতে পারেনি, তাই ফেরত গেছে।