
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে পুলিশ হেফাজতে থাকা নিষিদ্ধঘোষিত উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিয়াজুল আলম শাহীনকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় করা মামলায় বিএনপি নেতাসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল রোববার ভোরে পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আদালতে পাঠানো হলে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন- সরিষা ইউনিয়ন বিএনপির ১ নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নূর মোহাম্মদ মিলন এবং নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নয়ন মণ্ডল। নূর মোহাম্মদ মিলন সরিষা ইউনিয়নের গাংপাড় এলাকার মৃত আব্দুল আজিজের ছেলে। তিনি এ মামলার এজাহারনামীয় পাঁচ নম্বর আসামি।
অন্যদিকে নয়ন মণ্ডল চর হোসেনপুর এলাকার মৃত মজিবুর রহমানের ছেলে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসানের নির্দেশনায় এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) আশরাফুল করিম ও গৌরীপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দেবাশীষ কর্মকারের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালিত হয়। ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজ্জাদ রোমানের তত্ত্বাবধানে সরিষা এলাকা থেকে নূর মোহাম্মদ মিলন এবং আশ্রবপুর এলাকা থেকে নয়ন মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, পুলিশ হেফাজতে থাকা ছাত্রলীগ নেতাকে ছিনিয়ে নেওয়ার সময় পুলিশের সরকারি কাজে বাধা, সদস্যদের ওপর হামলা ও মারধর করে আহত করা এবং পুলিশের ব্যবহৃত সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে মামলাটিতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ঈশ্বরগঞ্জ থানার ওসি সাজ্জাদ রোমান বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
অপরাধী যে দলেরই হোক না কেন, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। অপরাধীদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তিনি সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন।