ঢাকা শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

পাম্পে গ্যাসের জন্য দীর্ঘলাইন

পাম্পে গ্যাসের জন্য দীর্ঘলাইন

রাজধানীর বিভিন্ন সিএনজি স্টেশনে গ্যাসের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে চালকদের। দীর্ঘ লাইনে আটকে থেকে নষ্ট হচ্ছে কর্মঘণ্টা, কমছে ট্রিপ ও আয়। অথচ প্রতিদিনের গাড়ির জমা, জ্বালানি খরচ ও সংসারের ব্যয় ঠিকই বহন করতে হচ্ছে তাদের। চালকদের কেউ চার-পাঁচ ঘণ্টা অপেক্ষার পর গ্যাস পাচ্ছেন গাড়িতে, আবার কেউ দীর্ঘ সময় লাইনে থেকেও পাচ্ছেন প্রয়োজনের তুলনায় কম জ্বালানি। মহেশখালীর এলএনজি সরবরাহ সংকটের প্রভাবে তৈরি এ পরিস্থিতিতে চালকদের পাশাপাশি ভোগান্তিতে পড়ছেন যাত্রী ও সিএনজি স্টেশনের কর্মীরাও। রাজধানীর বিভিন্ন সিএনজি স্টেশনে দেখা গেছে এমনই দুর্ভোগের চিত্র। শুক্রবার সকালে রাজধানীর আসাদগেট, কল্যাণপুর, তেজগাঁও এবং কারওয়ান বাজার এলাকার গুরুত্বপূর্ণ সিএনজি ফিলিং স্টেশন ঘুরে দেখা যায়, গ্যাসের জন্য গাড়ির দীর্ঘলাইন। চালকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ গ্যাস পাচ্ছেন না তারা। চলমান গ্যাস সংকটের বড় কারণগুলোর একটি মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনাল সংক্রান্ত সমস্যা। গত ২১ জুলাই মহেশখালী উপকূলে এক্সিলারেট এনার্জি পরিচালিত ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে দুর্ঘটনা ও কারিগরি সমস্যার পর জাতীয় গ্রিডে দৈনিক প্রায় ৪৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ কমে যায়। পরে টার্মিনালটি আংশিকভাবে চালু হলেও গ্যাসের সংকট পুরোপুরি কাটেনি। এর মধ্যে ১৯ আগস্ট এলএনজি কার্গো না থাকায় এক্সিলারেটের টার্মিনালের মজুত শেষ হয়ে যায়। ওই দিন বিকেল ৩টার দিকে টার্মিনালটি থেকে গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। এটি ২৩ আগস্ট পর্যন্ত বন্ধ থাকতে পারে বলে জানা গেছে। এ অবস্থায় জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের সরবরাহ চাহিদার তুলনায় অনেক কমে গেছে। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টার হিসাবে দেশে দৈনিক প্রায় ৪ হাজার মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ ছিল ২ হাজার ১৯৬ মিলিয়ন ঘনফুট। ফলে ঘাটতি দাঁড়ায় প্রায় ১ হাজার ৮০৪ মিলিয়ন ঘনফুট।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত