ঢাকা বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

জাতীয় স্বার্থে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক এগিয়ে নিচ্ছে সরকার : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

* বাংলাদেশে বর্তমানে ১১.৮৯ লাখ রোহিঙ্গা রয়েছে * ভারতীয় ভিসার বিষয়ে সুখবর দিলেন মন্ত্রী * বৃত্তি-ফেলোশিপে শিক্ষার্থী ও গবেষকদের জন্য সরকারের নানামুখী উদ্যোগ
জাতীয় স্বার্থে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক এগিয়ে নিচ্ছে সরকার : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেছেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে ভারতের সঙ্গে সার্বভৌম সমতা, ন্যায্যতা, পারস্পরিক সম্মান ও আস্থা এবং জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। গতকাল সংসদে কিশোরগঞ্জ-৫ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য শেখ মজিবুর রহমান ইকবালের টেবিলে উত্থাপিত তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। ড. খলিলুর রহমান জানান, ভারতসহ দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক সৌহার্দ্য, বন্ধুত্ব ও সংহতিতে প্রতিফলিত এবং তা অভিন্ন মূল্যবোধ, ঐতিহাসিক সংযোগ ও জনগণের সঙ্গে জনগণের দৃঢ় সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে ভারতের সঙ্গে সার্বভৌম সমতা, ন্যায্যতা, পারস্পরিক সম্মান ও আস্থা এবং জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি আমি ভারতে শুভেচ্ছা সফর করেছি। সেসময় ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রী এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার সঙ্গে আমার ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ভিসা প্রদান স্বাভাবিক করার জন্য ভারতকে আহ্বান জানানো হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে, শিগগিরই এ বিষয়ে ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যাবে। বাংলাদেশে বর্তমানে ১১.৮৯ লাখ রোহিঙ্গা রয়েছে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান জানিয়েছেন, মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের সংখ্যা বর্তমানে প্রায় ১১ লাখ ৮৯ হাজার। তিনি আরও বলেন, জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা (ইউএনএইচসিআর)-এর ১৩ এপ্রিলের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে পালিয়ে বাংলাদেশে এসে অবস্থানরত রোহিঙ্গার সংখ্যা ১১ লাখ ৮৯ হাজার ২১৩ জন। গতকাল সংসদে সিলেট-৬ আসনের সরকারি দলের সংসদ সদস্য ইমরান আহমেদ চৌধুরীর তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সরকার রোহিঙ্গা সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানে বিশ্বাস করে। ১৯৭৮ সালে আগত ২ লাখ রোহিঙ্গার পুনর্বাসন সম্পন্নে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভূমিকা এবং ১৯৯২ সালে আগত ২ লাখ ৫০ হাজার রোহিঙ্গার মধ্যে ২ লাখ ৩৬ হাজার জনকে প্রত্যাবাসনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সফল নেতৃত্বের কথা উল্লেখ করেন তিনি। তিনি বলেন, একই ধারাবাহিকতায় বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে পারস্পরিক বোঝাপড়ার ভিত্তিতে দ্রুত রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসনের জন্য কূটনৈতিক উদ্যোগ চলমান রয়েছে।

ড. খলিলুর রহমান বলেন, নির্বাচনি ইশতেহারের আলোকে বহুমুখী কূটনৈতিক প্রচেষ্টা গ্রহণ করা হয়েছে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে ধারাবাহিক যোগাযোগ বজায় রেখে এই সংকটের টেকসই সমাধান খোঁজা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, রোহিঙ্গা সংকটে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক বিচার প্রক্রিয়াগুলোতে নৈতিক ও কূটনৈতিক সহায়তা প্রদান করে যাচ্ছে, বিশেষ করে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে চলমান মামলায়।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গণহত্যার অভিযোগে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাটি বর্তমানে গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে রয়েছে। লিখিত ও মৌখিক শুনানি সম্পন্ন হয়েছে এবং কয়েকটি দেশ এতে অংশ নিয়েছে। শিগগিরই রায় ঘোষণার সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে মামলার পক্ষ না হলেও ওআইসি’র মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে এবং আর্থিকসহ বিভিন্ন সহায়তা প্রদান করছে।

মন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের তদন্ত করছে এবং মিয়ানমারের শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা চাওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। বাংলাদেশ এ তদন্তে প্রমাণসহ পূর্ণ সহযোগিতা করছে। এছাড়া জাতিসংঘ-প্রতিষ্ঠিত স্বাধীন তদন্ত ব্যবস্থাকেও বাংলাদেশ সহায়তা করছে, যা গুরুতর আন্তর্জাতিক অপরাধের প্রমাণ সংগ্রহ করছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, আর্জেন্টিনায় দায়ের করা একটি মামলায় মিয়ানমারের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও আন্তর্জাতিক দায়বদ্ধতা নিশ্চিতের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সরকারের স্পষ্ট অবস্থান হলো- রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র টেকসই সমাধান হলো তাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করা। তিনি বলেন, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিচার নিশ্চিত এবং টেকসই শান্তিপূর্ণ সমাধানের লক্ষ্যে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক বিচার প্রক্রিয়াকে পূর্ণ সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে।

ভারতীয় ভিসার বিষয়ে সুখবর দিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী : বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ভারতের ভিসা প্রাপ্তি সহজ হওয়া এবং বর্তমান স্থবিরতা কাটিয়ে শিগগিরই তা স্বাভাবিক হওয়ার সুখবর দিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। প্রতিবেশী এই রাষ্ট্রের সঙ্গে বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করতে সরকারের পক্ষ থেকে নানামুখী তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে বলে জানান তিনি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ২৩তম দিন মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে কিশোরগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মজিবুর ইকবালের লিখিত প্রশ্নের জবাবে এসব তথ্য দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। গতকাল মঙ্গলবার বেলা ৩টা থেকে শুরু হওয়া সংসদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। এদিন প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্তাপিত হয়।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেন, ‘ভারতসহ দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের বর্তমান সম্পর্ক সৌহার্দ্য, বন্ধুত্ব ও সংহতির ওপর দাঁড়িয়ে আছে। এই সম্পর্কের মূল ভিত্তি হচ্ছে অভিন্ন মূল্যবোধ, ঐতিহাসিক সংযোগ এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যকার সুদৃঢ় বন্ধন। বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকেই সার্বভৌম সমতা, ন্যায্যতা এবং পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে জাতীয় স্বার্থকে সমুন্নত রেখে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে।’

ভিসা সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনের বিষয়ে ড. খলিলুর রহমান সংসদকে জানান, ভারতের সঙ্গে ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করতে সরকার এরমধ্যেই কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। সম্প্রতি ভারত সফরে সেদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রী এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার সঙ্গে অত্যন্ত ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। ওই বৈঠকগুলোতে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ভ্রমণ ও ব্যবসায়িক ভিসার প্রক্রিয়া পুনরায় স্বাভাবিক করার বিষয়ে জোরালো আহ্বান জানানো হয়েছে। এই আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে দ্রুতই ভিসা সংক্রান্ত বিষয়ে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

বৃত্তি-ফেলোশিপে শিক্ষার্থী ও গবেষকদের জন্য সরকারের নানামুখী উদ্যোগ : বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ও গবেষকদের জন্য আন্তর্জাতিক বৃত্তি, ফেলোশিপ এবং অ্যাকাডেমিক বিনিময় কর্মসূচির সুযোগ সম্প্রসারণে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। গতকাল সংসদে ঢাকা-১৮ আসনের সরকারি দলের সংসদ সদস্য এস. এম. জাহাঙ্গীর হোসেনের টেবিলে উত্থাপিত তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব তথ্য জানান। মন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন দেশের সরকার ও আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার নতুন নতুন সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। সরকারের নীতিগত অগ্রাধিকারে শিক্ষা ও গবেষণাকে গুরুত্ব দিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সহযোগিতা জোরদার করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, বিনিময় কর্মসূচির আওতায় শিক্ষক, গবেষক, লেখক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, নীতি-প্রণেতা এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে উদীয়মান তরুণ নেতৃত্বকে অন্তর্ভুক্ত করে একটি দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যা দীর্ঘমেয়াদে দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে আন্তর্জাতিক শিক্ষা ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা বাড়াতে বহুমাত্রিক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

ড. খলিলুর রহমান বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের ইরাসমাস প্লাস, যুক্তরাজ্যের চিভনিং, জার্মানির ডিএএডি এবং নেদারল্যান্ডসের অরেঞ্জ নলেজ প্রোগ্রাম-এর আওতায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। পাশাপাশি ভারতের আইসিসিআর ও আই-টেক কর্মসূচি এবং পাকিস্তানের নলেজ করিডোর ও পিটিএপি কর্মসূচির মাধ্যমে স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও পেশাগত প্রশিক্ষণের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। তিনি আরও জানান, চীনে কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা কর্মসূচির অধীনে বাংলাদেশি কর্মীদের প্রশিক্ষণ বিষয়ে একটি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা চলছে। দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে শিক্ষাবৃত্তি বৃদ্ধি, টিভিইটি ও এসটিইএম শিক্ষা সহযোগিতা এবং কর্মসংস্থান সংক্রান্ত আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। জাপানের সঙ্গে দক্ষ জনশক্তি প্রেরণে ‘ইমপ্লয়মেন্ট ফর স্কিল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম (ইএসডিপি)’ চুক্তি স্বাক্ষরের লক্ষ্যে আলোচনা চলছে, যা ২০২৬ সালের মধ্যে সম্পন্ন হওয়ার আশা করা হচ্ছে।

অস্ট্রেলিয়ার টিএএফই এবং বাংলাদেশের কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোর মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি তৈরি করে অস্ট্রেলিয়ায় কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় পর্যায়ে শিক্ষা ও গবেষণা সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর, নবায়ন ও সম্প্রসারণ করা হয়েছে। এরইমধ্যে তুরস্ক, বেলারুশ ও গ্রিসের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। রাশিয়া, হাঙ্গেরি, লিথুয়ানিয়া, লাটভিয়া, ইউক্রেন, রোমানিয়া, বুলগেরিয়া, মলদোভা, নর্থ ম্যাসেডোনিয়া, উজবেকিস্তান, কিরগিজস্তান, তাজিকিস্তান, মন্টেনেগ্রো ও আলবেনিয়াসহ একাধিক দেশের সঙ্গে শিক্ষা সহযোগিতা চুক্তি চূড়ান্তকরণ ও সম্প্রসারণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তিনি আরও বলেন, এসব সহযোগিতার আওতায় স্কলারশিপ প্রোগ্রাম, যৌথ গবেষণা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিনিময়, ভাষা শিক্ষা এবং প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণের সুযোগ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যা দেশের মানবসম্পদ উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত