
আধুনিক যুগ আমাদের জীবনকে অনেক সহজ করলেও কেড়ে নিয়েছে সময়। সারাদিনের কাজের চাপ, যত্নের অভাব আর চারপাশের দূষণের জেরে আজকাল অল্প বয়সেই নারীদের ত্বকে পড়ে যাচ্ছে বার্ধক্যের ছাপ। ত্বকের এই কুঁচকে যাওয়া বা খসখসে ভাব দূর করতে অনেকেই হাজার হাজার টাকা খরচ করে নামিদামি কেমিক্যাল স্কিন ট্রিটমেন্ট করাচ্ছেন। কিন্তু ভেবে দেখেছেন কি? সাময়িক লাভ হলেও দীর্ঘমেয়াদে এগুলো যে আমাদের ত্বকের বড় ধরনের ক্ষতি করে চলেছে। অথচ আমাদের হাতের কাছেই রয়েছে চমৎকার এক প্রাকৃতিক সমাধান- মোরিঙ্গা অয়েল। সজনে গাছের বীজ থেকে তৈরি এই তেল কোনো রাসায়নিক ছাড়াই প্রাকৃতিকভাবে ত্বকের লাবণ্য ধরে রাখবে। ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে এবং অকাল বার্ধক্য রুখতে মোরিঙ্গা অয়েল একাই একশ’। এই তেলে প্রচুর পরিমাণে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন ত্বকের গভীরে গিয়ে পুষ্টি জোগায়। ফলে নিয়মিত ব্যবহারে চামড়া সহজে ঝুলে পড়ে না এবং বলিরেখাও গায়েব হয়ে যায়। শুষ্ক ত্বকের সমস্যায় যারা ভুগছেন তাদের ত্বককে ভেতর থেকে হাইড্রেট রাখার পাশাপাশি মুখের কালো ছোপছোপে ও ব্রণের সমস্যা দূর করবে এই মোরিঙ্গা তেল। বাজারে অনেক নকল তেল থাকায় রূপচর্চার জন্য সবসময় কোল্ড প্রেসড বা খাঁটি মোরিঙ্গা অয়েল বেছে নেওয়া উচিত। এটি ব্যবহারের নিয়মও অত্যন্ত সহজ। রাতে ঘুমানোর আগে মুখ ভালো করে পরিষ্কার করে হাতের তালুতে মাত্র দুই থেকে তিন ফোঁটা মোরিঙ্গা অয়েল নিয়ে সারা মুখে হালকা হাতে ম্যাসাজ করতে হবে। এছাড়া নিজের পছন্দের ডে বা নাইট ক্রিমের সঙ্গে মিশিয়েও এটি ব্যবহার করা যায়। তবে বাজারে অনেক নকল তেল থাকায় রূপচর্চার জন্য সবসময় কোল্ড প্রেসড বা খাঁটি মোরিঙ্গা অয়েল বেছে নেওয়া উচিত। পার্লারের রাসায়নিকের চক্করে না পড়ে ঘরে বসেই নিজের ত্বকের যত্ন নিন। বয়স পঞ্চাশ পেরোলেও সজনে তেলের ব্যবহারে ত্বক থাকবে তিরিশের মতো টানটান আর সতেজ- এমনটাই বলছেন বিশেষজ্ঞরা।