ঢাকা বুধবার, ১৪ জানুয়ারি ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ | বেটা ভার্সন

‘বিদ্যমান ব্যবস্থায় গণতান্ত্রিক জবাবদিহির কাঠামো দুর্বল’

‘বিদ্যমান ব্যবস্থায় গণতান্ত্রিক জবাবদিহির কাঠামো দুর্বল’

সমাজের বিদ্যমান ব্যবস্থায় গণতান্ত্রিক জবাবদিহিতার কাঠামো খুব দুর্বল বলে মন্তব্য করেছেন- জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব ও ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. তাসনিম জারা। গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের (বিসিএফসিসি) কার্নিভাল হলে প্রাপ্তি, সংলাপ সহযোগী, সিপিডি আয়োজিত ‘নাগরিক ইশতেহার ২০২৬ : জাতীয় নির্বাচন ও রূপান্তরের প্রত্যাশ ‘ শীর্ষক খসড়া ইশতেহার উপস্থাপন সংলাপে তিনি এই মন্তব্য করেন।

এ সময় তাসনিম জারা বলেন, আমাদের যে বিদ্যমান ব্যবস্থা আছে সেখানে কিন্তু গণতান্ত্রিক জবাবদিহিতার কাঠামোটা খুব দুর্বল। যারা জনগণের ভোটে সংসদে যাচ্ছেন তারা কিন্তু দলের বিরুদ্ধে ভোট দিলে আর এমপি থাকতে পারছেন না। অর্থাৎ জনগণের ভোটে তারা সংসদে যাচ্ছেন কিন্তু জনপ্রতিনিধি হওয়ার উপায়টা তাদের জন্য সাংবিধানিকভাবেই বন্ধ করা আছে। তাহলে ক্যাবিনেটকে কে জবাবদিহি করবে? সংবিধানে আছে ক্যাবিনেটকে জবাবদিহি করবে পার্লামেন্ট। কিন্তু পার্লামেন্টেরও আবার হাত-পা বাঁধা। কারণ তারা দলের বিরুদ্ধে ভোট দিতে পারছেন না। তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের যে মন্ত্রীরা আছেন, প্রধানমন্ত্রী আছেন তারা যদি দুর্নীতি করেন তাহলে জবাবদিহি কে নেবে? দুর্নীতি দমন কমিশন। কিন্তু দুর্নীতি দমন কমিশনের যে কমিশনার তাকে নিয়োগ দেন প্রেসিডেন্ট। আবার প্রেসিডেন্টের এই কাজটা করতে হয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পরামর্শ করে। তাহলে তো আর জবাবদিহিতার ব্যবস্থা রইলো না। কারণ, যে যার জবাবদিহি নেবে সেই তাকে নিয়োগ করছে। সেজন্য এখানে জবাবদিহিতার কাঠামো খুব দুর্বল থাকছে।’ প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও এমপিদের মানবাধিকার লঙ্ঘনও জবাবদিহিতাটা আনার উপায় নেই জানিয়ে তাসনিম জারা বলেন, ‘যারা এমপি, মন্ত্রী কিংবা প্রধানমন্ত্রী হবেন তারা যদি মানবাধিকার লঙ্ঘন করেন তখন জবাবদিহি কে চাইবে? কোন প্রতিষ্ঠান চাইবে? মানবাধিকার কমিশন করতে পারে।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত