ঢাকা বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

দুই কিলোমিটারজুড়ে খানাখন্দ দুর্ভোগে ১০ গ্রামের মানুষ

সড়কজুড়ে বড় বড় গর্ত
দুই কিলোমিটারজুড়ে খানাখন্দ দুর্ভোগে ১০ গ্রামের মানুষ

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার সাহেবাবাদ ইউনিয়নের বারেশ্বর থেকে মালাপাড়া হয়ে দেবীদ্বার-কুমিল্লা সংযোগ সড়কে যুক্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়কটির প্রায় দুই কিলোমিটারজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য খানাখন্দ।

২০২৪ সালের ভয়াবহ বন্যার পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও সড়কটি সংস্কার না হওয়ায় সাহেবাবাদ ও মালাপাড়া ইউনিয়নের অন্তত ১০টি গ্রামের হাজারো মানুষকে প্রতিদিন চরম দুর্ভোগ ও ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।

সরেজমিন দেখা যায়, পুরো সড়কজুড়ে বড় বড় গর্ত ও খানাখন্দ তৈরি হয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কে পানি জমে কাদায় একাকার হয়ে যায়। কোথাও কোথাও রাস্তার মাঝখানে ছোট-বড় ডোবার মতো গর্ত সৃষ্টি হয়েছে।

এসব গর্ত এড়িয়ে ইজিবাইক, অটোরিকশাসহ বিভিন্ন যানবাহন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। পথচারীদের জন্যও সড়কটি কার্যত অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। সড়ক ব্যবহারকারী স্থানীয় ব্যবসায়ী আব্দুল করিম বলেন, ব্যবসার কাজে প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে মালামাল আনা-নেওয়া করতে হয়। রাস্তার বেহাল অবস্থার কারণে প্রায়ই গাড়ি উল্টে মালামাল নষ্ট হয়। বর্ষাকালে কাদা-পানির কারণে চলাচল প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। সড়কসংলগ্ন বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম বলেন, বাড়ির সামনে সড়ক হলেও বের হওয়ার উপায় নেই। ২০২৪ সালের বন্যার পর রাস্তাটি পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতদিনেও সংস্কারের কোনো উদ্যোগ চোখে পড়েনি। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছে স্কুলগামী শিশু ও বয়স্ক মানুষ। গত সোমবার এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাহেবাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য জাকির হোসেন বলেন, সড়কটির বেহাল অবস্থার কারণে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের শেষ নেই। বিষয়টি একাধিকবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।

দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়েছি। সাহেবাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, ২০২৪ সালের বন্যার পর থেকে সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। বাজেট বরাদ্দ ও অনুমোদন প্রক্রিয়ার কারণে সংস্কারকাজ শুরু করতে কিছুটা দেরি হচ্ছে। তবে যত দ্রুত সম্ভব উন্নয়নকাজ শুরু করে মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ দূর করার চেষ্টা করছি। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত সড়কটি সংস্কার করে দুই ইউনিয়নের হাজারো মানুষের নিরাপদ ও স্বাভাবিক চলাচল নিশ্চিত করা হোক।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত