ঢাকা সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

বাংলাদেশ-পাকিস্তান

বিশেষ মুক্ত বাণিজ্যব্যবস্থার আলোচনা

বিশেষ মুক্ত বাণিজ্যব্যবস্থার আলোচনা

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও বাড়াতে বিশেষ মুক্ত বাণিজ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার বিষয়ে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে। একই সঙ্গে দুই দেশের মধ্যে ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের সফর বিনিময়, তৈরি পোশাকের কাঁচামাল আমদানি-রপ্তানি, লজিস্টিকস উন্নয়ন এবং টেক্সটাইল ও ফ্যাশন শিক্ষায় সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়। গতকাল রোববার উত্তরায় বিজিএমইএ কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খানের বৈঠকে এসব বিষয়ে বৈঠক হয়।

বৈঠকে বিজিএমইএর সিনিয়র সহসভাপতি ইনামুল হক খান, সহসভাপতি মো. রেজোয়ান সেলিম, পরিচালক শাহ রাঈদ চৌধুরী, পরিচালক মোহাম্মদ সোহেল, মহাসচিব মেজর জেনারেল ড. মো. সাহেদুল ইসলাম (অব.) এবং পাকিস্তান হাইকমিশনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের সম্ভাবনা থাকলেও বিদ্যমান বাণিজ্য ভারসাম্য নিয়ে আলোচনা হয়। বর্তমানে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের প্রয়োজনীয় কাঁচামালসহ বিভিন্ন পণ্য পাকিস্তান থেকে আমদানি করা হলেও দেশটিতে বাংলাদেশের রফতানির পরিমাণ তুলনামূলকভাবে কম।

এ পরিস্থিতিতে পাকিস্তান থেকে পোশাক শিল্পের প্রয়োজনীয় কেমিক্যাল ও ডাইস আমদানি বাড়ানোর বিষয়ে গুরুত্ব দেন বিজিএমইএ সভাপতি। পাশাপাশি বাংলাদেশ থেকে পাকিস্তানে জুট ইয়ার্ন ও ফার্মাসিউটিক্যালস রফতানি বাড়ানোর সুযোগ তৈরির আহ্বান জানান তিনি। বিজিএমইএর পক্ষ থেকে বলা হয়, বাংলাদেশের পাটের সুতা ও ওষুধ আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানে রয়েছে। পাকিস্তানের বাজারে এসব পণ্যের রফতানি বাড়ানো গেলে দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও ভারসাম্যপূর্ণ হতে পারে। দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ বাড়াতে উচ্চপর্যায়ের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের সফর বিনিময়ের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয় বৈঠকে। বৈঠকে বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের পর দুই দেশের বাণিজ্য সম্পর্ক কীভাবে আরও কার্যকর রাখা যায়, সে বিষয়েও আলোচনা হয়। টেক্সটাইল, তৈরি পোশাক ও ফ্যাশন খাতে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি এবং প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়টিও বৈঠকে উঠে আসে।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত