ঢাকা মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

আইসিসির মাস সেরার লড়াইয়ে মোসাদ্দেক

আইসিসির মাস সেরার লড়াইয়ে মোসাদ্দেক

প্রায় চার বছর পর ফিরেই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যান অব দা সিরিজ হয়েছিলেন মোসাদ্দেক হোসেন। চমকপ্রদ সেই পারফরম্যান্সে বড় একটি স্বীকৃতি আদায় করে নিলেন তিনি। আইসিসির ‘প্লেয়ার অব দা মান্থ’ নির্বাচিত হওয়ার বিবেচনায় আছেন বাংলাদেশের এই অলরাউন্ডার। জুনের সেরা হওয়ার লড়াইয়ে মোসাদ্দেকের দুই প্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের শুবমান গিল ও নিউ জিল্যান্ডের ন্যাথান স্মিথ। মেয়েদের ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত তালিকায় আছেন স্কটল্যান্ডের ক্যাথরিন ব্রাইস, ভারতের শ্রী চারানি ও ইংল্যান্ডের ড্যানি ওয়াট-হজ।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজে তিন ম্যাচে মোসাদ্দেক রান করেছিলেন ১৫৭। মাত্র এক ম্যাচে আউট হওয়ায় তার গড়ও ছিল ১৫৭, স্ট্রাইক রেট ১১৬.২৯। ২০০২ সালের অগাস্টের পর প্রথম ওয়ানডে খেলতে নেমে গত ৯ জুন ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস খেলে ৭০ বলে অপরাজিত ৮৬ রান করেন মোসাদ্দেক। পরে বল হাতে ২ উইকেট নিয়ে ম্যান অব দা ম্যাচ হন। পরের ম্যাচে তিনি আউট হয়ে যান ১৪ বলে ১৫ রান করে। শেষ ম্যাচে অপরাজিত থাকেন ৫১ বলে ৫৬ রান করে।

গিল সেরার বিবেচনায় উঠে এসেছে টেস্ট ও ওয়ানডের যৌথ পারফরম্যান্সে। আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে তিনি ১২৬ রানের ইনিংস উপহার দেন। এরপর ওয়ানডে সিরিজে তিন ম্যাচের দুটি ব্যাট করে ১৩৫.২২ স্ট্রাইক রেটে রান করেন ২৩৮ (অপরাজিত ৮৪ ও ১৫৪)। দলের ৩-০ ব্যবধানের জয়ে তিনিই ছিলেন ম্যান অব দা সিরিজ। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে ম্যান অব দা সিরিজ হয়ে এই তালিকায় এসেছেন স্মিথও। পেছন থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে নিউ জিল্যান্ডের স্মরণীয় সিরিজ জয়ে এই পেসার শিকার করে ১৬ উইকেট। এর মধ্যে ক্রিকেট তীর্থ লর্ডসে এক ইনিংসে ৬ উইকেটসহ ম্যাচে নিয়েছিলেন ৯ উইকেট। মেয়েদের ক্রিকেটে স্কটিশ অলরাউন্ডার ব্রাইস দারুণ ফর্মে ছিলেন বাংলাদেশ ও নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে। সব মিলিয়ে এই সময়ে সাত ম্যাচে ১৭৮ রান করেন তিনি ১৪০.১৫ স্ট্রাইক রেটে, উইকেট শিকার করেন ১১টি।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দুর্দান্ত বোলিং করে সেরার লড়াইয়ে এসেছে শ্রী চারানি। পাকিস্তান ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে তিনটি করে উইকেট নেন এই বাঁহাতি স্পিনার, নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে চারটি। এই সময়ে ছয় টি-টোয়েন্টিতে ১৪ উইকেট নেন তিনি ওভারপ্রতি মাত্র ৬.৬৯ রান দিয়ে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের ফাইনালে ওঠার পথে বড় অবদান ছিল ওয়াট-হজের। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে অপরাজিত সেঞ্চুরি উপহার দেন তিনি, নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে খেলেন ৮৯ রানের ইনিংস। সংক্ষিপ্ত তালিকা থেকে মাস-সেরা নির্বাচন করা হয়ে থাকে আইসিসির স্বাধীন ভোটিং একাডেমি ও ক্রিকেট অনুসারীদের ভোটে। ভোটিং একাডেমির ভোট বিবেচনায় নেওয়া হয় ৯০ শতাংশ।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত