
টাঙ্গাইলে জাল বা নকল টাকা লেনদেনের দায়ে বিশেষ ক্ষমতা আইনে দায়ের করা একটি মামলায় ওয়াজ উদ্দিন নামে এক আসামিকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুরে টাঙ্গাইলের বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মো. হাফিজুর রহমান এ দণ্ডাদেশ প্রদান করেন।
সাজাপ্রাপ্ত আসামি ওয়াজ উদ্দিন (৪৮) টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার ফতেহপুর গ্রামের আছর উদ্দিনের ছেলে।
টাঙ্গাইলের পিপি অ্যাডভোকেট মো. শফিকুল ইসলাম রিপন জানান, ২০২১ সালের ২৭ জুন সকালে ওয়াজ উদ্দিন একটি দোকানে গিয়ে চারটি স্পিড (কোমল পানীয়) কিনে দোকানদারকে এক হাজার টাকার একটি নোট দেন। নোটটি দেখে জাল বা নকল মনে হলে দোকানদার উপস্থিত লোকজনকে দেখান। তারাও নোটটি জাল বলে সন্দেহ করেন। সঙ্গে সঙ্গে দেলদুয়ার থানায় খবর দেওয়া হলে পুলিশ এসে ওয়াজ উদ্দিনকে আটক করে। এ সময় তার দেহ তল্লাশি করে আরও চারটি এক হাজার টাকার জাল নোট উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় দেলদুয়ার পশ্চিমপাড়া গ্রামের দোকানদার জয়েন উদ্দিন বাদী হয়ে দেলদুয়ার থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের করেন। পুলিশ প্রকাশ্যে ও গোপনে তদন্ত শেষে ২০২২ সালের ২ মার্চ আসামি ওয়াজ উদ্দিনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট জমা দেয়।
টাঙ্গাইলের বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মো. হাফিজুর রহমান বিচার শেষে সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আসামি ওয়াজ উদ্দিনকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের রায় দেন।
জনাকীর্ণ আদালতে রায় ঘোষণার সময় আসামি উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে টাঙ্গাইল কারাগারে পাঠানো হয়।
আসামিপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট মো. কামরুজ্জামান তরফদার (খোকন)।