ঢাকা রোববার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২ | বেটা ভার্সন

নীলফামারীতে কমলা চাষে সাফল্য

নীলফামারীতে কমলা চাষে সাফল্য

নীলফামারীতে চায়না জাতের রামরঙ্গন কমলা চাষ আলোচনায় এসেছে। প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার এবং নীলফামারী গণপূর্ত বিভাগে কর্মরত আব্দুল মতিন আধুনিক পদ্ধতিতে এই জাতের কমলার বাগান গড়ে তুলে স্থানীয় কৃষিতে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলেছেন। তার বাগানের উৎপাদন ও ব্যবস্থাপনা দেখতে প্রতিদিন আশপাশের জেলা থেকেও আগ্রহীরা আসছেন। সদর উপজেলার কচুকাটা উচ্চ বিদ্যালয়ের নিকটবর্তী এলাকায় প্রায় ৫০ বিঘা জমিতে ৮০০টির বেশি চারা নিয়ে গড়ে উঠেছে আদর্শ মানিক নার্সারি। এ উদ্যোগের ফলে স্থানীয়ভাবে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়েছে। শিক্ষিত বেকার তরুণ-তরুণীরা এখানে কাজের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হওয়ার পথ পাচ্ছেন। অনলাইন অর্ডারের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে নিরাপদভাবে চারা সরবরাহ করা হচ্ছে।

আব্দুল মতিন জানান, নতুন উদ্যোক্তা ও কৃষকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ দেওয়া হয়। সম্প্রতি রামরঙ্গন কমলার চারা ও ফলের প্রতি আগ্রহ বাড়ায় অর্ডারের পরিমাণও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। রামরঙ্গন কমলা গাছে পোকামাকড়ের আক্রমণ তুলনামূলক কম দেখা যায়। একটি পরিপক্ক গাছ থেকে মৌসুমে দেড় থেকে দুই মণ পর্যন্ত ফল সংগ্রহ সম্ভব। সাধারণত পাঁচ থেকে ছয় ফুট উচ্চতার এই গাছের ফল সম্পূর্ণ পাকলেও সহজে ঝরে পড়ে না; পরিপক্ক হওয়ার পরও প্রায় এক মাস পর্যন্ত গাছে ঝুলে থাকে।

সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আতিক আহমেদ বলেন, এ অঞ্চলের মাটির এসিডিক বৈশিষ্ট্যের কারণে বিদেশি ও উন্নত জাতের ফল এখানে ভালো ফলন দেয়। বাজারে চাহিদা বৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে কৃষি বিভাগ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, স্থানীয় আবহাওয়া রামরঙ্গনসহ অন্যান্য ফল চাষের জন্য অনুকূল।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত