
সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার যমুনার চরাঞ্চলে অসময়ে ভাঙন শুরু হয়েছে। এতে যমুনা পাড়ের বহু পরিবারের মধ্যে এখন আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। এ ভাঙনরোধে ব্যবস্থা নিতে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, উক্ত উপজেলার বিভিন্ন হমকভনে প্রতিবছর ভাঙনে যোগাযোগে বিচ্ছিন্ন জেলা সদর থেকে। আর ওই উপজেলায় যেতে হলে টাঙ্গাইল হয়ে যেতে হয়। তবে নদী পথে যাতায়াতেরও কষ্টের শেষ নেই। যমুনা নদীর পানি অস্বাভাবিক কমলেও অসময়ে ভাঙন শুরু হয়েছে।
এ অসময়ে ভাঙ্গনে চরাঞ্চলের অনেক জায়গা জমি এরইমধ্যে নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে। এতে চরবাসীর বাড়িঘর, গাছপালা ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হুমকির মুখে পড়েছে। যমুনা নদীতে বাল্বহেড দিয়ে বালি সরবরাহ করায় এই ভাঙ্গনের সৃষ্টি হয়েছে। সম্প্রতি ভাঙ্গনে ওই উপজেলার দক্ষিণ অঞ্চলের খাসপুখুরিয়া থেকে বাঘুটিয়া ইউনিয়নের ৩ কিলোমিটার অঞ্চলে অনেক বসতবাড়ি ও একটি কমিউনিটি ক্লিনিক নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।
এদিকে অসময়ে যমুনার ভাঙন প্রতিরোধে বাল্বহেড যমুনা নদীতে চলাচল বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরে প্রতিকার চেয়ে দাবি জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোখলেছুর রহমান আলোকিত বাংলাদেশকে বলেন, ওই উপজেলার চরের কয়েকটি স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে। এ ভাঙ্গন এলাকায় এরইমধ্যে সার্ভে করা হয়েছে এবং পরবর্তীতে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।