
নীলফামারীর ডোমারে অবৈধভাবে নদীর বালু উত্তোলনের অভিযোগে দু’জনকে উপজেলা প্রশাসন ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছে। এ সময় ম্যাজিস্ট্রেটের রায় শুনে ফারুক নামে এক অভিযুক্ত ঘটনাস্থলে অসুস্থতার ভান করেন! কিছুক্ষণ পরে তিনি সুস্থ্য হয়ে উঠেন।
গত বৃহষ্পতিবার উপজেলার হরিণচড়া ইউনিয়নের ধরধরার পাড় এলাকায় দেওনাই নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সময় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে উল্লেখিত এলাকার আব্দুর রহমানের ছেলে মো. ফারুক এবং ডিমলা উপজেলার ট্রাক্টরচালক অমলকে পঞ্চাশ হাজার টাকা করে মোট এক লাখ অর্থদণ্ড প্রদান করেন ডোমার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শায়লা সাঈদ তন্বী।
স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই প্রভাবশালী একটি চক্র দিনে এবং রাতের আঁধারে নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছে। এতে নদীর তীর ভেঙে পড়ছে এবং আশপাশের ফসলি জমি হুমকির মুখে পড়েছে। প্রশাসনের নজরদারি থাকলেও অনেক সময় তা এড়িয়ে এই চক্র সক্রিয় থাকে। দ্রুত এসব অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ করে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।
ডোমার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শায়লা সাঈদ তন্বী বলেন, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগে দুইজনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জরিমানা পরিশোধে ব্যর্থ হলে তাদের এক মাসের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।