
বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যদিয়ে গতকাল মঙ্গলবার সারা দেশে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস পালিত হয়েছে। এ বারের প্রতিপাদ্য ছিল- সরকারি খরচে বিরোধ শেষ, সবার আগে বাংলাদেশ।
নারায়ণগঞ্জ : নারায়ণগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আইনগত সহায়তার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। গতকাল মঙ্গলবার সকালে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালত প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড প্রদক্ষিণ করে পুনরায় আদালত প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়। র্যালি শেষে আদালত চত্বরে বিভিন্ন আইনগত সেবা প্রদানকারী স্টলের উদ্বোধন করা হয়। স্টলগুলোর উদ্বোধন করেন সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আবু শামীম আজাদ। পরে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বিচার বিভাগ, প্রশাসন এবং আইনজীবী নেতারা অংশ নেন। আলোচনা সভায় সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ এবং জেলা আইনগত সহায়তা প্রদান কমিটির চেয়ারম্যান আবু শামীম আজাদ বলেন, অর্থের অভাবে যারা আইনগত সহায়তা নিতে পারেন না, তাদের জন্য রাষ্ট্র লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে প্রস্তুত রয়েছে। তিনি বলেন, লিগ্যাল এইড কোনো অনুগ্রহ নয়, এটি নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার। নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক রায়হান কবির বলেন, আইনের দৃষ্টিতে সব নাগরিক সমান হলেও বাস্তবে সেই সমতা নিশ্চিত করতে হলে প্রত্যেককে অন্তত আদালতের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছানোর সুযোগ দিতে হবে। তিনি আইনগত সহায়তা কার্যক্রমকে আরও বিস্তৃত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
রংপুর : রংপুরে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস পালিত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সকালে রংপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালত প্রাঙ্গণে দিবসটি উপলক্ষে এক আলোচনাসভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রংপুরের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ এবং জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান ফজলে খোদা মো. নাজির। রংপুর জেলা লিগ্যাল এইড কমিটি এই অনুষ্ঠান আয়োজন করে। সভাপতির বক্তব্যে রংপুরের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ এবং জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান বলেন, আইনগত সহায়তা পাওয়ার অধিকার আমাদের মৌলিক মানবাধিকারগুলোর মধ্যে একটি। তবে অনেক সময় আর্থিক অসচ্ছলতা বা আইনি জ্ঞান না থাকার কারণে সাধারণ মানুষ আইনি সহায়তা থেকে বঞ্চিত হয়ে থাকেন। বঞ্চিত মানুষদের বিনামূল্যে আইনি সেবা দিয়ে যাচ্ছে লিগ্যাল এইড। এপর্যন্ত দেশের প্রায় আট হাজার মামলা এই লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে নিষ্পত্তি হয়েছে। লিগ্যাল এইডে মিথ্যা মামলা প্রসঙ্গে চেয়ারম্যান বলেন, কেউ মিথ্যা মামলা করে মানুষকে হয়রানি করালে তাকে আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। লিগ্যাল এইডের প্যানেলভুক্ত আইনজীবীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, অন্যায়ের শিকার হতদরিদ্র ও বঞ্চিত মানুষের জন্য বিনামূল্যে আইনি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি সংশ্লিষ্ট সবাইকে যথাযথ দায়িত্ব-কর্তব্য পালনে সচেষ্ট থাকার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা প্রদান করেন রংপুর মহানগর দায়রা জজ মশিউর রহমান, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাহমুদুল করিম, রংপুরের জেলা চিফ লিগ্যাল এইড অফিসার কৃষ্ণ কমল রায়, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মো. শাহেদ কামাল ইবনে খতীব, সিভিল সার্জন ডা. শাহীন সুলতানা, মেট্রোপলিটন পুলিশের ডেপুটি পুলিশ কমিশনার মারুফ আহমেদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক খ্রিস্টফার হিমেল রিছিল প্রমুখ। দিবসটি উপলক্ষে সকালে রংপুর জেলা জজ আদালত প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়ে নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে সমাপ্ত হয়। অনুষ্ঠানে রংপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক, সরকারি কর্মকর্তা, উপকারভোগীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সেরা আইনজীবী প্যানেলের আইনজীবী লায়লা আনজুমান বানু ও আইনজীবী শামীম আল মামুনকে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।
রাজশাহী : জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস উপলক্ষে রাজশাহীতে র্যালিও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল মঙ্গলবার সকালে রাজশাহী জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির আয়োজনে জেলা ও দায়রা জজ আদালত চত্বর থেকে র্যালি শুরু করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় মোড় ঘুরে ফিরে এসে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ ন ম বজলুর রশীদ, রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান, রাজশাহী জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম, সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ এএইচএম মাহমুদুর রহমান, জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার (সিনিয়র সহকারী জজ) শরিফুল ইসলাম খানসহ অন্যারা। বক্তারা, সরকারি খরচে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে লিগ্যাল এইড কার্যক্রম আরও জোরদারের আহ্বান জানান। এ সময় রাজশাহী জেলায় সরকারি আইনগত সহায়তা কার্যক্রমের অগ্রগতি তুলে ধরা হয়। জেলা লিগ্যাল এইড এর দেওয়া তথ্য মতে, ২০২৫ সালে রাজশাহী জেলায় ৭০১টি বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর) আবেদন গ্রহণ করা হয়, যার মধ্যে ৬২১টি নিষ্পত্তি হয়েছে। এসব এডিআরের মাধ্যমে ১ কোটি ১১ লাখ ৮৬ হাজার ১১৬ টাকা আদায় করে বিচারপ্রার্থীদের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। একই সময়ে ১ হাজার ৯১৯ জনকে আইনগত পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ওই বছর ১ হাজার ৩৫টি মামলা গ্রহণের বিপরীতে ৩৫৪টি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত ১৯৪টি এডিআর আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে এবং ২৪২টি নিষ্পত্তি হয়েছে। এ সময় ৪৫ লাখ ২৩ হাজার ৬৫১ টাকা আদায় করে বিচারপ্রার্থীদের প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি ৩১৭ জনকে আইনগত পরামর্শ দেওয়া হয়েছে এবং ২৩৫টি মামলার বিপরীতে ১২৯টি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে।
ফরিদপুর : দিবসটি উপলক্ষে গতকাল মঙ্গলবার সকালে ফরিদপুর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবনের দ্বিতীয় তলার কনফারেন্স রুমে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ফরিদপুর জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান ও সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মো. জিয়া হায়দারের সভাপতিত্বে আয়োজিত এ সভায় বিচার বিভাগ, প্রশাসন ও আইনজীবী মহলের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন। বক্তারা দেশের প্রান্তিক ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য সরকারি আইনগত সহায়তা কার্যক্রমকে আরও কার্যকর ও জনবান্ধব করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন- বিভাগীয় বিশেষ জজ মো. শরিফুদ্দিন আহমেদ, নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালের বিচারক জেলা জজ শামীমা রহমান, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেলিম রেজা, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিত্র বিশ্বাস, সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নাজমুল কবির,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শামসুল আজম, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট লিয়াকত আলী খান বুলুসহ অন্যান্য বিচারক, আইনজীবী ও জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির সদস্যরা। বক্তারা বলেন, দেশের একটি বড় জনগোষ্ঠী এখনও দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করায় তারা প্রয়োজনীয় আইনগত সহায়তা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। অনেক ক্ষেত্রে আইনি সহায়তা পাওয়ার অধিকার থাকা সত্ত্বেও তথ্যের অভাব ও সচেতনতার ঘাটতির কারণে তারা ন্যায়বিচার থেকে দূরে থাকছেন। অথচ সরকারের পক্ষ থেকে বিনামূল্যে বা স্বল্প খরচে মামলা পরিচালনার সুযোগ রয়েছে, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে আরও বেশি করে ছড়িয়ে দেওয়া প্রয়োজন। তারা আরও বলেন, লিগ্যাল এইড কার্যক্রম সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে ব্যাপক প্রচারণা চালানো জরুরি। বিশেষ করে ইউনিয়ন পর্যায়ে কমিটি গঠন করে তৃণমূল মানুষের কাছে এই সেবা পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। এতে করে সাধারণ মানুষ সহজেই আইনি সহায়তা পেতে পারবেন এবং বিচারপ্রাপ্তির পথ আরও সহজ হবে। আলোচনায় আদালতপাড়ায় সক্রিয় কিছু দালালচক্রের বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়। বক্তারা অভিযোগ করেন, এসব দালাল সাধারণ মানুষের অজ্ঞতাকে পুঁজি করে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে এবং প্রকৃত আইনি সহায়তা থেকে তাদের বঞ্চিত করছে। এ ধরনের অপতৎপরতা বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়। পাশাপাশি লিগ্যাল এইড সেবার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন বক্তারা। সভায় বক্তারা আরও বলেন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হলে সবার জন্য সমানভাবে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা অপরিহার্য। সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষদের আইনি সহায়তার আওতায় আনতে না পারলে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা অসম্পূর্ণ থেকে যাবে। তাই সরকারি আইনগত সহায়তা কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করার বিকল্প নেই। এর আগে সকাল ৯টায় পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে দিবসটির উদ্বোধন করা হয়। পরে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি আদালত প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয়ে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে দিয়ে ঘুরে পুনরায় আদালত চত্বরে এসে শেষ হয়। র্যালিতে বিচারক, আইনজীবী, প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবসের এ আয়োজন ফরিদপুরে আইনি সহায়তা কার্যক্রমকে আরও বেগবান করবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন। বক্তাদের মতে, সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে দালালমুক্ত, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব আইনি সহায়তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব, যা দেশের প্রতিটি মানুষের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
কুষ্টিয়া : কুষ্টিয়ায় যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস। গতকাল মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টার সময় বর্ণাঢ্য র্যালি ও জেলা জজ আদালত প্রাঙ্গণে আলোচনা সভার মাধ্যমে দিবসটি উদযাপন করা হয়। শুরুতে বেলুন এবং কবুতর উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করা হয়। এ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র্যালিটি জেলা জজ আদালত প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয়ে কুষ্টিয়া কালেক্টরেট চত্বর এবং কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা জজ আদালত প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়। এখানে লিগ্যাল এইডের রক্তদান কর্মসূচিসহ ছয়টি স্টলের উদ্বোধন করা হয়।
পরে আদালত প্রাঙ্গনে কুষ্টিয়া জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির আয়োজনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন কুষ্টিয়া জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান এবং সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মো. এনায়েত কবির সরকার। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কুষ্টিয়া জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার সিনিয়র সহকারি জজ তারিক হাসান। অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন- কুষ্টিয়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক জয়নাল আবেদীন, স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক তপন রায়, পারিবারিক আপিল আদালতের বিচারক সোহানী পুণ্য, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ফিরোজ মামুন, কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদ বিন-হাসান, কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন, কুষ্টিয়ার সিভিল সার্জন শেখ মোহাম্মদ কামাল হোসেন, কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) জাহাঙ্গীর আলম, কুষ্টিয়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. শওকত হোসেন ভূঁইয়া। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন- কুষ্টিয়া জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি শেখ মোহাম্মদ আবু সাঈদ, সাধারণ সম্পাদক এসএম শাতিল মাহমুদ, কুষ্টিয়া জজ কোর্টের পিপি অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম, জিপি অ্যাডভোকেট মাহাতাব উদ্দিন, মামলায় সুবিচারপ্রাপ্তি সুমি খাতুন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষার্থী মাহিমা বিশ্বাস ও কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিক্ষার্থী অলক রায় প্রমুখ। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, সাধারণ মানুষের আইনি অধিকার নিশ্চিত করতে ২০০০ সালে আইন প্রণীত হলেও ২০২২ সালের সংশোধনী এর কার্যকারিতা বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। বর্তমানে লিগ্যাল এইড অফিসে সম্পাদিত চুক্তিগুলো আদালতের রায়ের সমতুল্য এবং সরাসরি কার্যকর, যা বিচারপ্রার্থীদের দীর্ঘসূত্রিতা ও ভোগান্তি থেকে মুক্তি দিচ্ছে।
রাঙামাটি : রাঙামাটিতে যথাযোগ্য জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস পালিত হয়েছে। গতকাল সকালে জেলা জজ কোর্টের মাঠে আলোচনা সভায় জেলা ও দায়রা জজ মো. আহসান তারেক সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, কাজল তালুকদার চেয়ারম্যান জেলা পরিষদ, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নিশাত শারমিন, পুলিশ সুপার আব্দুর রকিব, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট সৈয়দ তফাজ্জল হোসেন হিরু, নারী শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মোহাম্মদ মাহাবুবুর রহমান। অ্যাডভোকেট প্রতিম রায় পাম্পু পাবলিক প্রসিকিউটর জেলা জজ আদালত, সরকারি কৌশলী অ্যাডভোকেট মামুনুর রশিদ মামুন, জেলা ও দায়রা জজ আদালত, অ্যাডভোকেট মিহির বরণ চাকমা সভাপতি আইনজীবী সমিতি।
জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির আয়োজনে জজ কোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে বিভিন্ন ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে বর্ণাঢ্য র্যালি শেষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বছরের সেরা আইনজীবী নির্বাচিত হয়েছেন নারী/পুরুষ দুইজন। জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান কার্যক্রম সর্ম্পকে অনুভুক্তি ব্যক্ত করেন অ্যাডভোকেট সুম্মিতা চাকমা ও অ্যাডভোকেট সফিউল আলম মিঞা। আদালতের বিচারক, আইনজীবী, সরকারি কর্মকর্তা এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিরা সুবিধা ভোগীরা এ সময় ছিলেন।
২০২৫ সালে রাঙামাটি জেলা লিগ্যাল এইড মাধ্যমে ১১৮৩টি বিরোধ নিস্পক্তি হয়েছে। এর মধ্যে উপকার ভোগী সংখ্যা ১৫৮৩ জন।
ঠাকুরগাঁও : গতকাল সকালে জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির উদ্যোগে ফিতা কাটা ও বেলুন উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন কমিটির চেয়ারম্যান ও জেলা ও দায়রা জজ জামাল হোসেন। পরে কোর্ট চত্বর থেকে একটি র্যালি বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় একই স্থানে এসে শেষ হয়। দিবসটি উপলক্ষে লিগ্যাল এইড মেলা, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, আলোচনা সভা এবং সেরা প্যানেল আইনজীবীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান ও জেলা ও দায়রা জজ জামাল হোসেনের সভাপতিত্বে আয়োজিত সভায় বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট লুৎফর রহমান, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. ইউসুফ আলী এবং লিগ্যাল এইড অফিসার ও সিভিল জজ মজনু মিয়া।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সিভিল জজ মো. মাহামুদুল হোসেন মুন্না। বিভিন্ন ক্যাটাগরি ও মানদণ্ডের ভিত্তিতে এ বছর সেরা প্যানেল আইনজীবী নির্বাচিত হন ললিত কুমার রায় ও মাসুদা পারভিন ইভা। তাদের সম্মাননা স্মারক ও সনদপত্র প্রদান করেন জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যানসহ অন্যান্য অতিথিরা। অনুষ্ঠানস্থল জজ আদালত চত্বরে চারটি স্টল স্থাপন করা হয়, যেখানে লিগ্যাল এইড সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য, সেবা গ্রহণের প্রক্রিয়া ও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়। কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত এক বছরে ঠাকুরগাঁও লিগ্যাল এইড অফিসে মোট ৮১৪টি আবেদন জমা পড়ে। এর মধ্যে ৭১৪টি আবেদন নিষ্পত্তি করা হয়েছে। এই সময়ে উপকারভোগীর সংখ্যা দাড়িয়েছে ৩ হাজার ৪৩৬ জনে। মামলা দায়ের করা হয়েছে ২২৫টি। বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির মাধ্যমে আপসের ফলে ৪৪ লাখ ৪৯ হাজার টাকা আদায় হয়েছে। এছাড়া ৭০৩ জন ব্যক্তি বিনামূল্যে আইনি পরামর্শ গ্রহণ করেছেন। একই সময়ে আদালতে বিচারাধীন ১৯১টি মামলা আপসের মাধ্যমে প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং ৮টি ক্ষেত্রে সরেজমিনে পরিদর্শন করা হয়েছে বলে জানা গেছে। লিগ্যাল এইড অফিসার ও সিনিয়র সহকারী জজ মজনু মিয়া বলেন, লিগ্যাল এইড কার্যক্রমের মাধ্যমে আমরা মূলত সেইসব মানুষকে আইনি সহায়তার আওতায় আনতে কাজ করছি, যারা আর্থিক সংকটের কারণে আদালতে মামলা পরিচালনা করতে পারেন না। আমাদের লক্ষ্য হলো, কোনো নাগরিক যেন শুধুমাত্র টাকার অভাবে ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত না হন। সরকারিভাবে যোগ্য ব্যক্তিদের জন্য আইনজীবী নিয়োগ দিয়ে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে মামলা পরিচালনার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
নওগাঁ : গতকাল মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টায় নওগাঁ জেলা জজ আদালতের সামনে থেকে বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে দিবসের উদ্বোধন করেন- নওগাঁ জেলার সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মো. রোকনুজ্জামান। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- নওগাঁ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম, নওগাঁর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক শাহাদত হোসেন, নওগাঁর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক মিজানুর রহমান, জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার তারেক আজিজ, জেলা অ্যাডভোকেট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এমএইচএম জাহাঙ্গীর আলম, জেলা সিভিল সার্জন ডা. আমিনুল ইসলাম। শোভাযাত্রা আদালতের কর্মকর্তা, কর্মচারীসহ অন্যরা। শোভাযাত্রাটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থান প্রদক্ষিণ করে আবার আদালতে এসে শেষ হয়। পরে দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে আদালত চত্বরে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বর্ণাঢ্য উৎসবমুখর পরিবেশে মির্জাগঞ্জে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস পালিত হয়।
মির্জাগঞ্জ (পটুয়াখালী) : গতকাল সকাল ৯টায় জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার মির্জাগঞ্জ উপজেলা বিশেষ কমিটি ও সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট চৌকি আদালতের যৌথ আয়োজনে র্যালি ও আলোচনা সভা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত প্রাঙ্গণ থেকে ব্যান্ড পার্টির ঢোলের শব্দ আর বাঁশির সুরে র্যালি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে একই স্থানে গিয়ে শেষ হয়। পরে উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়াম মিলনায়তনে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. আল-আমীনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মো. রাসেল। অ্যাডভোকেট একে আজাদ বাপ্পীর সঞ্চালনায় এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন, থানা অফিসার ইনচার্জ আবদুস সালাম, উপজেলা বিএনপির সভাপতি সাহাবুদ্দিন নান্নু, সিনিয়র সহ-সভাপতি আহসানউল্লাহ পিন্টু, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদ মুন্সি, সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসাইন ফরাজি, সুবিদখালী মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ ড. মো. আবদুর রহমান, অ্যাডভোকেট মো. তারিকুল ইসলাম প্রমুখ। এ সময় কোর্টের কর্মকর্তা ও কর্মচারীর, উপজেলার আইনজীবী, এনজিও প্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মী, বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, লিগ্যাল এইডের সুবিধাভোগী ব্যক্তিরা, গণ্যমান্য ব্যক্তিরা ও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সর্বস্তরের মানুষ উপস্থিত ছিল। আলোচনা সভায় বক্তারা দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে বক্তব্য প্রদান করেন।
গাইবান্ধা : জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস পালন উপলক্ষে মঙ্গলবার জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির আয়োজনে গাইবান্ধায় বর্ণাঢ্য র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আদালত চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র্যালির উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা। পরে আদালত ভবনের সম্মেলন কক্ষে সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ রেজাউল করিম সরকারের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুবুর রহমান, নারী ও শিশু ট্রাইবুন্যালের-১ এর বিচারক মেরিনা সুলতানা, পুলিশ সুপার মো. জসিম উদ্দীন, সিভিল সার্জন ডা. রফিকুজ্জামান, জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সেকেন্দার আজম আনাম, জিপি আব্দুল মজিদ, পিপি আব্দুল হালিম প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জেলা যুগ্ম ও দায়রা জজ অলরাম কার্জী। সভায় জেলা জজ কোর্টের বিভিন্ন পর্যায়ের বিচারক ও সরকারি কর্মকর্তাসহ স্থানীয় বেসরকারি সংস্থার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা বলেন, সরকারি খরচে আইনগত সহায়তা প্রদান সম্পর্কে জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। আর্থিকভাবে অসচ্ছল ও অসহায় মানুষকে বিনা খরচে আইনি সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে ২০০০ সালের আইন অনুযায়ী ২০১৩ সাল থেকে এই দিবসটি পালন করা হচ্ছে। শেষে অ্যাডভোকেট রেজোয়ানুল মন্ডল ও অ্যাডভোকেট আহম্মেদ নাজমুল হুদাকে শ্রেষ্ঠ প্যানেল আইনজীবী হিসেবে সম্মননা স্মারক ও নগদ অর্থ তুলে দেওয়া হয়।
চরফ্যাশন (ভোলা) : গতকাল মঙ্গলবার সকালে দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের উদ্যোগে এবং চরফ্যাশন চৌকি আদালত লিগ্যাল এইড বিশেষ কমিটির আয়োজনে বর্ণাঢ্য র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। র্যালিটি আদালত প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয়ে উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় একই স্থানে এসে শেষ হয়। পরে চৌকি আদালত প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চরফ্যাশন চৌকি আদালত লিগ্যাল এইড বিশেষ কমিটির চেয়ারম্যান ও অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ শওকত হোসেন।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ রুবাইত হোসেন, সিনিয়র সিভিল জজ রেজাউল করিম বাঁধন, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আফজাল হোসেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) এমাদুল হোসেন, সহকারী পুলিশ সুপার (চরফ্যাশন সার্কেল) মেহেদী হাসান এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শোভন কুমার বসাক। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট হজরত আলী হিরণ, জিপি অ্যাডভোকেট ছিদ্দিক মাতব্বর, কোর্ট ইন্সপেক্টর, চরফ্যাশনের চার থানার অফিসার ইনচার্জ, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মামুন হোসাইন, রেঞ্জ অফিসার সালাম হোসেন, চরফ্যাশন আইনজীবী সমিতির সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ স্থানীয় আইনজীবী ও গণ্যমান্য ব্যক্তি। আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, দেশের যেকোনো নাগরিক বিনামূল্যে আইনগত সহায়তা পেতে লিগ্যাল এইড অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন। সাধারণ মানুষ নিজে সেবা গ্রহণের পাশাপাশি অন্যদেরও এ বিষয়ে সচেতন ও উদ্বুদ্ধ করলে আইনি সহায়তা কার্যক্রম আরও বিস্তৃত হবে।
টাঙ্গাইল : টাঙ্গাইলের জেলা জজ আদালতের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি শুরু হয়ে আদালত অঙ্গনের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় জেলা জজ আদালতের সভাকক্ষে আলোচনা সভায় মিলিত হয়। জেলা ও দায়রা জজ এবং জেলা আইনগত সহায়তা কমিটির সভাপতি মো. হাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ড. মো. আবদুল মজিদ, ল্যান্ড সার্ভের আপিল ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুহাম্মদ মোশারফ হোসাইন, পারিবারিক আদালতের বিচারক বেগম ফাতেমা জাহান স্বর্ণা, নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ ট্রাইব্যুনালের বিচারক আ ন ম ইলিয়াস, পুলিশ সুপার শামসুল আলম সরকার, সিভিল সার্জন এফএম মাহবুবুল আলম মঞ্জু, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহবুব হাসান, জেলা লিগাল এইড অফিসার মিনহাজ উদ্দিন ফরাজি, আইনজীবী সমিতির সভাপতি মোনায়েম হোসেন খান আলম এবং আদালতের সরকারি কৌশলী শফিকুল ইসলাম রিপন প্রমুখ। সভায় গ্রাম ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের অসহায়, দুস্থ ও সাধারণ মানুষের সরকারি খরচে আইনি সহায়তা পাওয়া নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।