
ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম বলেছেন, ‘আমরা দেখেছি অনেক নেতা জুলাই আন্দোলনের দেড় বছর পর দেশে এসেছেন। তারা আজকে বিভিন্ন ধরনের ভুয়া কথাবার্তা বলছেন। তাদের এ ভুয়া কথাবার্তা আপনারা বিশ্বাস করবেন না। আমরা কাজের কথা বিশ্বাস করবো। যারা ইতোমধ্যে তাদের কাজের মাধ্যমে নিজেদেরকে প্রমাণ করেছেন। যারা দেশ থেকে মুচলেকা দিয়ে পালিয়েছেন তাদের বিশ্বাস করবো না। বিএনপির লোকজন ১১ দলীয় জোটের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। গতকাল শুক্রবার বাউফল পাবলিক স্কুল মাঠে জামায়াতের বাউফল উপজেলার নির্বাচনি জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন। সাদিক কায়েম বলেন, ‘বিএনপির সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়ে ১১ দলীয় জোট সরকার গঠন করবে। আমরা দেখতে পাই বাংলাদেশের পাঁচটি ছাত্র সংসদ নির্বাচন হয়েছে। এ পাঁচটি সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশের চার কোটি তরুণ রয়েছেন। তারা ইনসাফের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। ডাকসু থেকে শুরু হয়েছে, সর্বশেষ জকসু গিয়ে শেষ হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘আমরা নির্বাচিত হয়ে আসার পর বলেছিলাম শিক্ষার্থীদের নেতা হবো না, আমরা তাদের প্রতিনিধি হবো। আমরা তাদের সেবক হবো। আমরা আমাদের ছোট ভাইদের একজন অভিভাবক হবো।’
ডাকসু ভিপি বলেন, ‘আমরা বলতে চাই, আগামীর যে বাংলাদেশ হবে সে দেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন ডা. শফিকুর রহমান। তারা সবসময় আপনাদের কাছে জবাবদিহি করবে। আপনাদের তাদের কাছে যেতে হবে না। আপনার এমপি, আপনার মন্ত্রী আপনার কাছে যাবে। আপনার অধিকার নিশ্চিত করবে।’
এ সময় জামায়াতে আমির ডা. শফিকুর রহমান, পটুয়াখালী-২ আসনের ১১ দলীয় জোট প্রার্থী ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদসহ জেলার চারটি আসনের মনোনীত প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।