প্রিন্ট সংস্করণ
০০:০০, ২৫ জুলাই, ২০২৬
আদি রাগ ভৈরবী এস্রাজে তুলে
বুগেনভেলিয়ার ডালে ডালে একদিন
ছড়িয়েছিলে পিংক-বর্ণের দ্যুতি
সেতার ও সারেঙ্গীর মধ্যমায় জমে থাকা
বিষুবরেখার ধুলো এবং-
গ্রিনিচ রেখার যাবতীয় গ্লানি মুছে দিয়ে
পৃথিবীতে এনেছিলে মৃদঙ্গ-বাতাস
সভ্যতার দ্রাঘিমা খুঁজতে খুঁজতে
বহুক্রোশ, বহু পথ পাড়ি দিয়ে
একটি ব্যাঞ্জো হাতে নিয়ে আমি
এই ফটকের সামনে এসে দাঁড়িয়ে আছি
সাড়ে তিন কোটি বৎসর
থোকা থোকা বুগেনভেলিয়া আমাকে গ্রহণ করেনি
এস্রাজের প্রাচীনতম সুর আমাকে তুলে নেয়নি ঘরে
তাল-লয়, ছন্দ-সুর ও কথা ভুলে যাওয়ায়
বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে আপন হাতের ব্যাঞ্জোটিও
আমি যেন এক মফস্বলের যান; আচমকা-
রাস্তা ভুলে ঢুকে পড়েছি এই ব্যস্ততম নগরীতে
তাই, প্রতিমুহূর্তে মান্টোর টোবাটেক সিং-এর মতো
দিশকুল না পাওয়া এক-
নান্দনিক পাগলে পরিণত হচ্ছি আমি।