
টানা বৃষ্টিতে সরবরাহ সংকটের অজুহাতে পাবনার ঈশ্বরদীর বাজার ও বিভিন্ন ইউনিয়নের গ্রামের হাট বাজারে কাঁচা মরিচের দাম বেড়ে তিনগুন হয়েছে। এদিকে শহরের রাস্তাঘাট ও গ্রামাঞ্চলের বিভিন্ন হাট- বাজারে পানি জমে থাকায় ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়কেই ভোগান্তির মধ্যে পড়তে হচ্ছে। এরই মধ্যে সরবরাহে সাময়িক বিঘ্ন ঘটায় সপ্তাহের ব্যবধানে কাঁচামরিচের দাম কেজিতে প্রায় ৮০ টাকা বেড়েছে।
গতকাল সোমবার শহরের বাজার ও গ্রাম অঞ্চলের হাট বাজারে গিয়ে জানা যায়, উপজেলার সাঁড়া ইউনিয়নের আরামবাড়ীয়া বাজারের সবজি বিক্রেতা খোকন আলী জানান, এক সপ্তাহ আগে এই বাজারে কাঁচামরিচ বিক্রি হয়েছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা কেজি দরে। টানা বৃষ্টিতে নিচু এলাকায় জমিতে পানি জমায় সরবরাহ সংকট দেখা দেয়। ফলে গত কয়েক দিন ধরেই প্রতিদিন কাঁচামরিচের দাম কেজিতে ২০ টাকা করে বাড়তে থাকে। শনিবার কাঁচামরিচের কেজি বিক্রি হয়েছে ১০০ টাকা। আজকে বাজারে যে কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে এটা নীলফামারীর ডোমার থেকে এসেছে। গত রবিবার থেকে কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে কেজি ১২০ থেকে ১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের আওতাপাড়া হাটে সবজি বিক্রেতা আক্কাস আলী বলেন, কয়েকদিনের টানা বৃষ্টির ফলে কাঁচা মরিচের সরবরাহে ঘাটতি দেখা দেওয়ায় হাটে সপ্তাহের ব্যবধানে কাঁচামরিচের দাম কেজিতে ৩গুন বেড়ে ১২০ টাকা থেকে ১৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
এই হাটে কাঁচা মরিচ ক্রেতা আবেদ আলী বলেন, সপ্তাহের ব্যবধানে সরবরাহ ঘাটতির অজুহাতে কাঁচামরিচের দাম তিনগুণ বাড়ায় যতটুক প্রয়োজন তার থেকে অর্ধেক ক্রয় করলাম। এদিকে ৪০ টাকার কচু এখন বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়। ৫০ টাকার বেগুন বিক্রি করছেন ৬০ টাকায়। স্বাভাবিক রয়েছে আলু, পেঁয়াজ, পটল, ঝিঙে, করলা, ঢ্যাঁড়শ, শসার দাম। প্রতি কেজি আলু ২৫, পেঁয়াজ ৩৫, পটল ৩০, ঝিঙে ৩০, করলা ৪০, ঢ্যাঁড়শ ৩০ ও শসা ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। দাম বেড়েছে কচু, বেগুনের।
উপজেলার দাশুড়িয়া বাজারের সবজি দোকানি তসলিম আলী জানান, আরও দু’একদিন টানা বৃষ্টি থাকলে কাঁচা মরিচসহ সব সবজির দাম বেড়ে যাবে। বৃষ্টির কারণে সরবরাহ কমে যাওয়ায় কাঁচা মরিচের দাম বেড়ে তিনগুন হয়েছে।
ক্যাপশন : উপজেলার আরামবাড়ীয়া বাজারে সরবরাহ ঘাটতির অজুহাতে কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৩০ টাকা কেজি দরে