
নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত এক ব্যক্তির মরদেহের কফিন খুলে তিনটি ‘পা’ পাওয়ার পর এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার উপজেলার সালাইনগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তির নাম মো. সেন্টু (৪৫)। তার বাড়ি উপজেলার সালাইনগর গ্রামে। বৃহস্পতিবার সকালে রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার ঝলমলিয়া বাজার এলাকায় নাটোর-রাজশাহী মহাসড়কে বালুবাহী ট্রাক উল্টে সেন্টুসহ চারজন নিহত হন। সেন্টুর স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দুর্ঘটনায় সেন্টু নিহত হওয়ার পর দুপুরে তার মরদেহ একটি কফিনে করে বাড়িতে পাঠায় পুলিশ। কফিনটি খোলার পর তিনটি খণ্ডিত পা পাওয়া যায়। এতে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। অতিরিক্ত একটি পা নিয়ে বিপাকে পড়েন পরিবারের লোকজন। পরে পুলিশকে ঘটনাটি জানানো হয়। পুলিশ খোঁজ নিয়ে জানতে পারে, অতিরিক্ত পা ওই দুর্ঘটনায় আহত রায়হান হোসেনের। দুর্ঘটনায় তার দুটি পা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। পুলিশের মাধ্যমে তার পরিবারের লোকজন পায়ের খোঁজ পেয়ে সেটি নেওয়ার জন্য রওনা হয়েছেন। সালাইনগর মসজিদের মুয়াজ্জিন ঝন্টু আলী জানান, তিনি গোসলের জন্য কফিন থেকে মরদেহটি বের করার সময় কফিনে তিনটি পা দেখতে পান। অতিরিক্ত একটি পা নিয়ে তারা বিপাকে পড়েন। অনুমতি না নিয়ে ওই পা তারা দাফন করতেও সাহস পাননি। অবশেষে পুলিশকে জানানোর পর জানা যায়, বিচ্ছিন্ন পাটি আহত এক ব্যক্তির।