
শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র নষ্ট থাকায় গরমে অহিমকর হয়ে পড়েন ক্রীড়াবিদরা। তাই এবার শীতাতম নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র মেরামত কিংবা নতুন কেনার উপর জোর দিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। শুধু তাই নয়, ব্যডমিন্টনে দুই বছরের জন্য বিদেশি কোচও দেওয়ার অঙ্গীকার করেন তিনি। গতকাল শুক্রবার প্রথম বিভাগ ব্যাডমিন্টন লিগের উদ্বোধন করতে এসে এমন আশ্বাস দেন প্রতিমন্ত্রী।
এ সময় বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের (বিওএ) মহাসচিব জোবায়দুর রহমান রানা ও সহসভাপতি ইমরোজ আহমেদ এবং ব্যাডমিন্টন ফেডারেশনের সভাপতি হাবিব উল্লাহ ও সাধারন সম্পাদক রাসেল কবির উপস্থিত ছিলেন। দেশের ক্রীড়াঙ্গণকে উন্নতির দিকে নিয়ে যেতে বড় কর্মপরিকল্পনা করছে বর্তমান সরকার। তাই এর বৃহৎ বাজেট নিয়েও সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান আমিনুল হক।
প্রতিমন্ত্রীর কথা, ‘আমাদের কর্মপরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন করতে গেলে আমাদের একটি বাজেটটিকে নতুনভাবে নিয়ে ভাবতে হবে। সেই ভাবনার জায়গাটা এরইমধ্যে আমাদের প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রী এবং আমাদের স্পোর্টসের যারা রয়েছেন সবাই আমরা কাজ করছি। তো আশা করি যে আগামী যে অর্থবছর, সেই অর্থবছরে বাংলাদেশের নতুন এই ক্রীড়াঙ্গনের যে চিন্তাভাবনাকে বাস্তবায়নের জন্য আমাদের বাজেটের একটি বৃহৎ অংশ নতুনভাবে বাস্তবায়িত হবে বলে আমি বিশ্বাস করি।’
এবারের প্রথম বিভাগ ব্যাডমিন্টন লিগে বিদেশি শাটলাররাও খেলার সুযোগ পাচ্ছেন। এরইমধ্যে অ্যালোরা শাটলার অ্যাকাডেমি রঘু নামে একজন ভারতীয় শাটলারকে এনেছে। তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার সমৃদ্ধ। অস্ট্রেলিয়া এবং দুবাইয়ে টুর্নামেন্ট খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে। মালয়েশিয়া থেকেও কয়েকজন শাটলার আসার কথা রয়েছে। খেলা হচ্ছে দল হিসেবে। প্রত্যেকটি দল পুরুষ ও মহিলা একক, দ্বৈত ও মিশ্র দ্বৈতে মোট পাঁচটি ইভেন্টে খেলছে। যেকোন তিন ইভেন্টে জিতলেই দল পুর্ন পয়েন্ট পাচ্ছে। প্রতি ক্লাবের হয়ে দ্’ুজন (পুরুষ ও নারী) বিদেশী শাটলারকে অনুমতি দিয়েছে ফেডারেশন। তবে বিদেশী শাটলাররা প্রতি ম্যাচে দুটি ইভেন্টের বেশি খেলতে পারছেন না। লিগের চ্যাম্পিয়ন দল তিন লাখ ও রানার্সআপ দল দুই লাখ টাকা প্রাইজমানি পাবে।