ঢাকা রোববার, ২৪ মে ২০২৬, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

চট্টগ্রামে জমতে শুরু করেছে পশুর হাট, ঘাটতির আশঙ্কা

চট্টগ্রামে জমতে শুরু করেছে পশুর হাট, ঘাটতির আশঙ্কা

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে চট্টগ্রামে ট্রাকে ট্রাকে আসছে কোরবানির পশু। বর্তমান মজুত ও দেশের অন্যান্য জেলা থেকে আসা সরবরাহ মিলিয়ে এবার চট্টগ্রামে কোরবানির পশুর ঘাটতি নেই বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। বৃহত্তর চট্টগ্রাম ছাড়াও তিন পার্বত্য জেলা, কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে এরইমধ্যে গরু, ছাগল ও মহিষ আসতে শুরু করেছে চট্টগ্রাম নগরী ও উপজেলার পশুর হাটগুলোতে। জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, এবার চট্টগ্রামে কোরবানির পশুর চাহিদা ৮ লাখ ১৮ হাজার ৬৮১টি। এর বিপরীতে স্থানীয় খামারিদের কাছে মজুত রয়েছে মাত্র ৭ লাখ ৮৩ হাজার ১৫১টি পশু। এর বাইরে স্থানীয় কৃষক ও গৃহস্থের লালিত-পালিত গরু-ছাগল ও বিভিন্ন জেলা থেকে আসা পশুর জোগানে চট্টগ্রামে কোরবানির পশুর ঘাটতি হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই, বরং কিছু পশু উদ্বৃত্ত থাকবে। জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ আলমগীর জানান, চট্টগ্রামে কোরবানির পশুর যে সামান্য ঘাটতি রয়েছে সেটা রাজশাহী, নওগাঁ, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ, দিনাজপুর, কুষ্টিয়াসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আগত বেপারীদের পশু দিয়ে পূরণ হবে। এছাড়াও খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবানসহ আশপাশের বিভিন্ন জেলায় চাহিদার চেয়ে কোরবানির পশু উদ্বৃত্ত রয়েছে। এগুলোও চট্টগ্রামের বাজারে আসছে। এর বাইরে স্থানীয় কৃষক ও গৃহস্থদের পালিত গরু ছাগল কুরবানির পশুর জোগান দেবে। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের অনুমোদিত ১০টি স্থায়ী ও অস্থায়ী পশুর হাটে মূলত এই বাইরের গরুরই আধিপত্য থাকে। এসব হাটে ঈদ মৌসুম ঘিরে শুধু খামারি নয়, ফড়িয়া ও বড় পাইকাররাও সক্রিয় থাকেন। যারা দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে গরু সংগ্রহ করে চট্টগ্রামে সরবরাহ করেন। তিনি বলেন, এরইমধ্যে চট্টগ্রামে পশুর হাটের পাশাপাশি বিভিন্ন খামার, এমনকি রাস্তা ও অলিগলিতেও গরু-ছাগল ওঠা শুরু হয়েছে। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ট্রাকে ট্রাকে পশু আসছে। যা দিয়ে স্থানীয় চাহিদা মিটবে, এবং কিছু পশু উদ্বৃত্ত থাকবে। প্রাণিসম্পদ বিভাগের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, চট্টগ্রামে ২০২৪ সালে উৎপাদন ছিল ৮ লাখ ৫২ হাজার ৩৫৯টি এবং ২০২৩ সালে ছিল ৮ লাখ ৪২ হাজার ১৬৫টি। সেই ধারাবাহিকতা ভেঙে কিছুটা কমে চলতি বছর উৎপাদন ৭ লাখ ৮৩ হাজারে নেমে আসে। সংস্থাটির পরিসংখ্যান অনুযায়ী, স্থানীয়ভাবে প্রতিপালিত পশুর মধ্যে রয়েছে ৩ লাখ ৭৪ হাজার ৯৯৯টি ষাঁড়, ৯০ হাজার ৪৮৮টি বলদ, ৩৩ হাজার ৭৯২টি গাভী, ৪৭ হাজার ৮৩৪টি মহিষ, ১ লাখ ৯৪ হাজার ৫১৯টি ছাগল, ৪১ হাজার ৪২৩টি ভেড়া এবং অন্যান্য ৯৬টি পশু। তথ্যে আরও দেখা যায়, চট্টগ্রামের গ্রামাঞ্চল ও উপজেলাগুলোতে পশু উদ্বৃত্ত থাকলেও নগর এলাকায় ঘাটতি বেশি। উপজেলাগুলোর মধ্যে মিরসরাইয়ে ৬ হাজার ৫১০টি, সন্দ্বীপে ১১ হাজার ৬০৪টি, সীতাকুন্ডে ৩ হাজার ২৩০টি, ফটিকছড়িতে ৭ হাজার ৮১৮টি এবং লোহাগাড়ায় ৬ হাজার ৯৭৬টি পশু উদ্বৃত্ত রয়েছে। এছাড়া বোয়ালখালী, চন্দনাইশ, সাতকানিয়া, আনোয়ারা ও কর্ণফুলী উপজেলাতেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পশু উদ্বৃত্ত রয়েছে। অন্যদিকে, নগরীর পাঁচলাইশ এলাকায় ৩০ হাজার ১৫২টি, কোতোয়ালিতে ৩১ হাজার ১৫৮টি এবং ডবলমুরিং এলাকায় সর্বোচ্চ ৪৭ হাজার ২০টি পশুর ঘাটতি রয়েছে। এ বিষয়ে জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আলমগীর জানান, গ্রামাঞ্চলের উদ্বৃত্ত পশু শহরে সরবরাহ হচ্ছে। এছাড়া দেশে বর্তমানে ২২ লাখের বেশি কোরবানির পশু উদ্বৃত্ত রয়েছে। ফলে, দেশীয় পশু দিয়েই কোরবানির চাহিদা পূরণ সম্ভব হবে এবং ব্যবসায়ীরা কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে অতিরিক্ত দাম হাঁকানোর সুযোগ পাবে না। কর্ণফুলী এলাকার গরু খামারি মো. আসাদ বলেন, উৎপাদন কমার পেছনে মূল কারণ গো-খাদ্য, ওষুধ ও শ্রমিকের মজুরি বেড়ে যাওয়া। গো-খাদ্য ব্যবসায়ীরা ইচ্ছামতো দাম বাড়াচ্ছেন। এর খেসারত দিচ্ছেন ছোট খামারিরা। খরচ বাড়ার কারণে সামাল দিতে না পেরে অনেকে খামার বন্ধ করে দিয়েছেন। যার সরাসরি প্রভাব পড়েছে পশু উৎপাদনে। এদিকে, ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে চট্টগ্রামে জমতে শুরু করেছে কোরবানির পশুর হাট। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে গরু, ছাগল, মহিষসহ অন্যান্য পশু বাজারে আনছেন ব্যবসায়ীরা। সিটি কর্পোরেশনের স্থায়ী ও অস্থায়ী ৬টি পশুর হাট ছাড়াও নগরীর অলিগলি ও খামারগুলোতে চলছে গরু বেচা-কেনা। তবে প্রাথমিক অবস্থায় বেচাবিক্রি কম বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা। গত বৃহস্পতিবার নগরীর মুরাদপুরের বিবিরহাটে গিয়ে দেখা গেছে, বাজারে সরবরাহ থাকলেও ক্রেতার উপস্থিতি প্রত্যাশার তুলনায় কম। কুষ্টিয়ার দৌলতপুর থেকে গরু নিয়ে আসা ব্যবসায়ীদের মধ্যে একজন মো. মোহসীন। তিনি জানান, তাদের একটি টিম কুষ্টিয়া থেকে আনুমানিক ১৪০টি গরু নিয়ে চট্টগ্রাম এসেছে। চট্টগ্রাম নগরের বিবিরহাট, সাগরিকা ও পাহাড়তলি বাজারে তারা এই গরুগুলো বিক্রির জন্য রয়েছেন। এখনও পর্যন্ত তারা একটি গরুও বিক্রি করেননি। গত শুক্রবার থেকে গরু বিক্রি শুরু হবে বলে তিনি আশা করেন। জলিল আহমেদ নামে এক পশু বিক্রেতা বলেন, এবার খাদ্য, পরিবহন ও শ্রমিক খরচ সবকিছুই বেড়েছে। তাই পশুর দাম কিছুটা বেশি হচ্ছে। আমরা ন্যায্য দাম চাইছি, লোকসান দিয়ে বিক্রি করা সম্ভব না। চট্টগ্রামের পশু ব্যবসায়ী আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, চট্টগ্রামে যত গরুর চাহিদা থাকে, তার বড় অংশই বাইরে থেকে আসে। স্থানীয় খামার আছে। কিন্তু তা মোট চাহিদার জন্য যথেষ্ট নয়।ব্যবসায়ীদের মতে, এই আন্তঃজেলা সরবরাহ চেইনের কারণে প্রতি বছরই চট্টগ্রামের বাজারে গরুর সংকট তৈরি হয় না। বরং ঈদের আগে দেশজুড়ে হাট থেকে পশু সংগ্রহ করে চট্টগ্রামে প্রবেশ করায় সরবরাহ ধারাবাহিক থাকে। হাটে আসা শামীম হোসেন নামে এক ক্রেতা বলেন, গরুর দাম গত বছরের তুলনায় একটু বেশি মনে হচ্ছে। তাই আমরা বিভিন্ন হাট ঘুরে দেখছি, তারপর কিনব। ঈদের জন্য ভালো পশু দরকার, কিন্তু বাজেটও দেখতে হচ্ছে। সাগরিকা পশুর হাটের ব্যবসায়ী নুরুল ইসলাম বলেন, মানুষ এখন হিসাব করে কোরবানি দিচ্ছে। বড় গরুর তুলনায় ছোট গরুর চাহিদা বেশি। তাই দামও খুব বেশি বাড়বে না বলে মনে হচ্ছে। বড় গরুর ক্রেতা কম। সবাই ৮০ হাজার থেকে দেড় লাখ টাকার মধ্যে গরু খুঁজছেন। তাই ব্যবসায়ীরাও সেই অনুযায়ী পশু আনছেন। পশু ব্যবসায়ীরা বলছেন, খামার পর্যায়ে খাবার, ওষুধ ও পরিবহন ব্যয় বাড়লেও বাজারে অতিরিক্ত দাম হাঁকার সুযোগ কম। কারণ ক্রেতাদের ক্রয়ক্ষমতা আগের মতো নেই।এদিকে, পশুর হাট ছাড়াও নগরের ২ নম্বর গেইট, বহদ্দারহাট, অক্সিজেনসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় বাসাবাড়িতে এবং স্থানীয়ভাবে গরু বিক্রি করতে দেখা গেছে। ব্যক্তিগত উদ্যোগের পাশাপাশি অ্যাগ্রো ফার্মগুলোতেও নেওয়া হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি। এবার বাজারে দেশি গরুর সরবরাহ পর্যাপ্ত জানিয়ে চন্দনাইশের খামারি আবু তাহের বলেন, চট্টগ্রাম অঞ্চলের খামার আর কৃষকের ঘরে সযত্নে লালিত-পালিত গরুর সমাগম বেশি। এই গরুর প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহও বেশি।

ক্রেতারা কোরবানির পশুর দাম বেশি বলে অভিযোগ করলেও ব্যবসায়ী ও খামারিরা বলছেন, দাম ঠিকই আছে। তাদের প্রত্যাশা দুই একদিনের মধ্যে বাজার জমে উঠবে। পরিসংখ্যান বলছে, এ বছর চট্টগ্রামে কোরবানির পশুর চাহিদার তুলনায় উৎপাদন কম। এ সুযোগে সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় গরু ঢোকে প্রতিবছর। এবার সেটা না হওয়ায় স্বস্তিতে আছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। চাহিদা মেটাতে ভরসা অন্য জেলার পশুতে। তবে সবমিলিয়ে সংকট না থাকায় দাম আয়ত্তে থাকবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এবার ক্রেতাদের আগ্রহ ছোট ও মাঝারি আকারের গরুর দিকে বেশি। উচ্চ মূল্যস্ফীতি, সংসার খরচের চাপ এবং মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়ায় কম দামের পশুর চাহিদা বাড়ছে। প্রাণিসম্পদ দপ্তরের তালিকায় দেখা যায়, জেলার ১৮টি উপজেলার মধ্যে ১৫টিতে উদ্বৃত্ত পশু রয়েছে। সবচেয়ে বেশি উদ্বৃত্ত রয়েছে সন্দ্বীপ উপজেলায়। সেখানে চাহিদার তুলনায় ১১ হাজার ৬০৪টি পশু বেশি। এরপর রয়েছে ফটিকছড়ি (৭ হাজার ৮১৮), লোহাগাড়া (৬ হাজার ৯৭৬), বোয়ালখালী (৬ হাজার ৯৭২) ও মিরসরাই (৬ হাজার ৫১০)। নগর এলাকার তিনটি থানা- পাঁচলাইশ, কোতোয়ালি ও ডবলমুরিংয়ে বড় ধরনের ঘাটতি রয়েছে। এর মধ্যে ডবলমুরিংয়ে চাহিদার তুলনায় ঘাটতি ৪৭ হাজার ২০টি পশু। কোতোয়ালিতে ঘাটতি ৩১ হাজার ১৫৮ এবং পাঁচলাইশে ৩০ হাজার ১৫২টি। তথ্য অনুযায়ী, জেলায় সবচেয়ে বেশি কোরবানিযোগ্য পশু রয়েছে ফটিকছড়ি উপজেলায়। সেখানে মোট প্রাপ্যতা ৬৯ হাজার ৪৭৮টি। এরপর রয়েছে সন্দ্বীপে ৬২ হাজার ৩১০, বাঁশখালীতে ৬০ হাজার ৩৮৯ এবং পটিয়ায় ৫৯ হাজার ৭৩৫টি পশু। চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় গড়ে ওঠা ছোট-বড় খামার এখন কোরবানির পশুর অন্যতম প্রধান উৎস। চট্টগ্রাম নগরের অক্সিজেনের কোয়াইশের খামারি নুরুল আলম সওদাগর বলেন, বড় গরু পালতে খরচ বেশি। কিন্তু ক্রেতারা এখন ছোট ও মাঝারি গরুর খোঁজ করছেন। তাই সে অনুযায়ী প্রস্তুতি নিয়েছি। রাউজানের এক খামারি মোহাম্মদ ইদ্রিস বলেন, আগে বাজারে ভারতীয় গরুর প্রভাব ছিল বেশি। এখন দেশীয় খামারিরা অনেক এগিয়েছেন। আমরা সারা বছর গরু লালন-পালন করি। এবার বিক্রির আশা ভালো। সূত্র জানায়, ঈদ কেন্দ্র করে শুধু স্থায়ী ব্যবসায়ী নয়, মৌসুমি অনেক ব্যবসায়ীও এ খাতে যুক্ত হন। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে গরু সংগ্রহ করে তারা চট্টগ্রাম শহরের বিভিন্ন এলাকা, গ্রামীণ হাট ও অস্থায়ী বাজারে বিক্রি করেন। অনেকে আবার সরাসরি খামার থেকে গরু কিনে চট্টগ্রামের পাইকারি বাজারে সরবরাহ করেন। ফলে একদিকে যেমন খামারিরা লাভবান হন, অন্যদিকে চট্টগ্রামের ক্রেতারাও তুলনামূলক সহজে পশু পান। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন প্রতিবছর ঈদুল আজহার আগে ১০টি নির্ধারিত হাট পরিচালনার অনুমতি দেয়। হাটগুলোতে গরু আসে মূলত তিনটি উৎস থেকে। স্থানীয় খামার, দেশের বিভিন্ন জেলার বড় খামার, পাইকার ও ফড়িয়াদের মাধ্যমে আন্তঃজেলা সরবরাহের মাধ্যমে। ঈদুল আজহা সামনে রেখে চট্টগ্রাম নগরের স্থায়ী ও অস্থায়ী পশুর হাটের ইজারা সম্পন্ন করেছে সিটি কর্পোরেশন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি দর উঠেছে সাগরিকা গরুর হাটের। ৮ কোটি ৮ লাখ ৫ হাজার ৭৮৬ টাকায় ইজারা পেয়েছেন মিরা মেরিনের স্বত্বাধিকারী মো. ফজলে আলীম চৌধুরী। ইজারা সংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, স্থায়ী হাটগুলোর মধ্যে বিবিরহাট ৬৮ লাখ ১০ হাজার টাকায় ইজারা পেয়েছেন মো. ইসমাইল। পোস্তারপাড় ছাগলের হাট ১ কোটি ২১ লাখ ৭৮ হাজার ৭৮৬ টাকায় ইজারা পেয়েছেন জাহাঙ্গীর আলম। অস্থায়ী হাটের মধ্যে কর্ণফুলী পশুর হাট (নুর নগর হাউজিং এস্টেট) ২ কোটি ১২ লাখ টাকায় ইজারা পেয়েছেন মোহাম্মদ ইব্রাহিম সওদাগর। এছাড়া ৪০ নম্বর ওয়ার্ডের মুসলিমাবাদ রোডে সিআইপি জসিমের খালি মাঠের হাটটি ২ লাখ ১০ হাজার টাকায় ইজারা দেওয়া হয়েছে। ইজারাপ্রাপ্ত ব্যক্তি মো. সালমান খান। নগরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে কয়েকটি অস্থায়ী পশুর হাটের জন্য নির্ধারিত মূল্যও ঠিক করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের আউটার রিং রোডের সিডিএ বালুর মাঠের হাটের মূল্য ধরা হয়েছে ৭০ লাখ টাকা। ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর হালিশহর গলিচিপা পাড়া বারুণিঘাটা মাঠের মূল্য ১২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এছাড়া ৩৭ নম্বর মধ্যম হালিশহর মুনির নগর আনন্দ বাজার সংলগ্ন রিং রোড়ের পাশের হাট। ৪০ নম্বর ওয়ার্ডের হোসেন আহম্মদ পাড়া সাইলো রোডসংলগ্ন টিএসপি মাঠের জন্য নির্ধারিত মূল্য ৯ লাখ ২০ হাজার টাকা এবং ৪১ নম্বর ওয়ার্ডে পতেঙ্গা সি-বিচসংলগ্ন টানেলের উত্তর পাশের বালুর মাঠের মূল্য ধরা হয়েছে ৫ লাখ ১০ হাজার টাকা। গত কয়েক বছরের মতো এবারও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে কোরবানির পশু বিক্রির প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। অনেক খামারি ফেসবুক পেজ ও ভিডিওর মাধ্যমে আগেভাগেই ক্রেতাদের আকৃষ্ট করার চেষ্টা করছেন।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত