ঢাকা সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ চৈত্র ১৪৩২ | বেটা ভার্সন

মেঘনায় কচুরিপানার জট, দুর্ভোগে ১০ উপজেলার মানুষ

মেঘনায় কচুরিপানার জট, দুর্ভোগে ১০ উপজেলার মানুষ

যেন একটি কচুরিপানার ডোবা। কচুরিপানা এতোটাই জট বেঁধেছে যে, এর ওপর দিয়ে দিব্যি হেঁটে যাওয়া যাচ্ছে। অনেকে মেঘনার মধ্যখানে গিয়ে তুলছেন সেলফি। নবীনগর, বাঞ্ছারামপুর, কসবা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, তিতাস, হোমনা, মেঘনা, মুরাদনগর, হোমনাসহ ১০ উপজেলার যাতায়াতের পথ এই ফেরিঘাট। প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০-৪০ হাজার মানুষের আসা-যাওয়া। মাত্র ১৫ মিনিট এর নৌ পথ পাড়ি দিয়ে ২ ঘণ্টা খানেক সময় লাগছে ইঞ্জিনচালিত বোট চালকদের। ফেরিতেও একই অবস্থা। নৌ রুটে চলাচলকারী যাত্রীরাও পড়েছেন মহা ভোগান্তিতে।

গতকাল রোববার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কড়িকান্দি এলাকা সংলগ্ন মেঘনা নদীতে গিয়ে দেখতে পাওয়া যায়, এখনও জেটিঘাট পল্টুন সংলগ্ন দেড় কিমি এলাকাজুড়ে মেঘনা নদীতে কচুরিপানার বিশাল বহরে দুর্ভোগ পড়ছেন এই ঘাট দিয়ে চলাচলকারী শত শত যাত্রী এবং বোট চালকরা।

জেটিঘাট সংলগ্ন পল্টুনে থাকা বোট চালকরা বলেন, কচুরিপানার কারণে ১০/১৫ মিনিট এর পথ ১/২ ঘণ্টা সময় লাগে। আমরা কচুরিপানার কাছে জিম্মি হয়ে আছি। এ সময় এই নৌ পথে চলাচলকারী যাত্রীরা বলেন, যাতায়াতের জন্য আমাদের প্রধান সমস্যা কচুরিপানা। মাত্র ১৫ মিনিট পথ পাড়ি দিতে ঘণ্টাখানেক সময় পার করতে হয়।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত