ঢাকা সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ চৈত্র ১৪৩২ | বেটা ভার্সন

বোরো ধানের ভালো ফলনের আশায় কৃষক

* এবার চরাঞ্চল ও খালবিলসহ জেলার ৯টি উপজেলার বিভিন্ন স্থানে এ লাভজনক ইরি-বোরো চাষাবাদ করা হয়েছে
বোরো ধানের ভালো ফলনের আশায় কৃষক

সিরাজগঞ্জে এবার ইরি বোরো ধানের বাম্পার ফলনের আশা করছে কৃষকরা। এ আশা নিয়ে কৃষক কৃষাণিরা ধানখেত পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছে। এরমধ্যেই মাঠজুড়ে সবুজের সমারোহ সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, জেলার ৯টি উপজেলার বিভিন্ন স্থানে কৃষকরা ১ লাখ ৪৫ হাজার হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো চাষাবাদ করেছে। এতে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬ লাখ ৯ হাজার ১২৫ মেট্রিক টন।

এ জেলার শস্যভাণ্ডার খ্যাত চলনবিল এলাকার তাড়াশ, উল্লাপাড়া, রায়গঞ্জ ও শাহজাদপুর উপজেলার পশ্চিমাঞ্চলে এ চাষাবাদ বেশি হয়েছে। এছাড়া জেলার অন্যান্য উপজেলার বিভিন্ন স্থানে এ চাষাবাদ ভালো হয়েছে। যথাসময়ে সার ও কীটনাশক প্রয়োগ এবং আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এ চাষাবাদে বাম্পার ফলনের আশা করছে কৃষকরা। এরমধ্যেই এ ধান খেতের পরিচর্যার কাজ প্রায় শেষ। আর মাঠজুড়ে এ ধানখেতে সবুজের সমারোহ সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে পড়ন্ত বিকেলে তরুণ-তরুণীরা সেলফিও তুলছে। তবে খাল বিল অঞ্চলে এ দৃশ্য চোখে পড়ার মতো।

স্থানীয় কৃষকরা বলছেন, এবার চরাঞ্চল ও খালবিলসহ জেলার ৯টি উপজেলার বিভিন্ন স্থানে এ লাভজনক ইরি-বোরো চাষাবাদ করা হয়েছে। এ চাষাবাদে এবার কিছুটা খরচ কম হয়েছে। সরকারিভাবে বীজ ও সার পেয়েছে প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকরা। মাঠজুড়ে ধানখেতের সমারোহ দেখে মনে হচ্ছে এবার বাম্পার ফলন হবে। তবে বর্তমানে তেলসংকট ও মূল্যবৃদ্ধির কারণে সেচ কাজে কিছুটা বিঘ্ন ঘটছে। তারপরেও উৎপাদন ও বাজার ভালো থাকলে কৃষকরা ঋণ পরিশোধ করতে পারবে। এমন আশা বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের। এ বিষয়ে কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপ-পরিচালক একেএম মঞ্জুরে মওলা বলেন, আবহাওয়া অনুুকূলে থাকলে এবার ইরি-বোরো চাষাবাদে বাম্পার ফলনের আশা রয়েছে।

এ চাষাবাদে সরকারিভাবে বিশেষ করে প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকের মাঝে সার বীজ বিতরণ করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট কৃষি বিভাগ এ চাষে কৃষকদের পরামর্শও দিয়েছেন। আশা করছি, এ চাষাবাদে বাম্পার ফলন ও বাজার ভালো থাকলে কৃষকরা খুশি হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত