ঢাকা শুক্রবার, ০৯ জানুয়ারি ২০২৬, ২৫ পৌষ ১৪৩২ | বেটা ভার্সন

এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি নিয়ে দিনভর নাটকীয়তা, ভোগান্তি

এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি নিয়ে দিনভর নাটকীয়তা, ভোগান্তি

তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলপিজি) বিক্রি বন্ধের ঘোষণায় চরম দুর্ভোগে পড়েন গ্রাহকেরা। গতকাল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) সঙ্গে এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেডের বৈঠকের পর ঘোষিত কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন ব্যবসায়ীরা। বৈঠক শেষে এলপিজি বিক্রেতাদের সংগঠনের সভাপতি মো. সেলিম খান বলেন, অপারেটরদের কাছ থেকে সিলিন্ডার কিনতেই তাদের এক হাজার ৩০০ টাকার বেশি দিতে হচ্ছে। তাই ১২ কেজির একটি সিলিন্ডার দেড় হাজার টাকার কম দামে বিক্রি করা তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। বৈঠকে নেতারা তিনটি দাবি উত্থাপন করেন। সেগুলো হলো- সারাদেশে চলমান প্রশাসনিক অভিযান বন্ধ করা, বিতরণকারী ও খুচরা বিক্রেতাদের চার্জ বৃদ্ধি করা এবং নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করা। বৈঠকে বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ আশ্বস্ত করেন যে চলমান অভিযানের বিষয়ে তারা প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলবেন ও চার্জ বাড়াতে আইনগত পদক্ষেপ নেবেন।

জালাল আহমেদ বলেন, এলপিজি অপারেটরদের সংগঠন জানিয়েছে যে জাহাজ সংকটের মধ্যেও পণ্য আমদানির জন্য বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ফলে আগামী সপ্তাহের মধ্যে সরবরাহের সংকট কিছুটা স্বাভাবিক হতে পারে।বিইআরসি চেয়ারম্যান জানান, জানুয়ারি মাসের জন্য নির্ধারিত এক হাজার ৩০৬ টাকার বেশি দামে পণ্য বিক্রির কোনো যুক্তি তিনি দেখছেন না।

গতকাল হামজারবাগ এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ তামিমের বাসায় হঠাৎ গ্যাস শেষ হয়ে যায়। এরপর থেকে পরিবারের সবাই হোটেলের খাবারের ওপর নির্ভরশীল। চট্টগ্রামের দুই নম্বর গেট এলাকায় সিলিন্ডার খুঁজতে গিয়ে তিনি বলেন, গ্যাসের খোঁজে ৫০০ টাকা গাড়িভাড়া খরচ হয়ে গেছে। তবু কোথাও নেই। কবে পাওয়া যাবে, কেউ জানে না। আগ্রাবাদ এলাকার মোহাম্মদ আইয়ুবের অভিযোগ, বড় কোম্পানিগুলো গ্যাস দিচ্ছে না। একটা শক্তিশালী সিন্ডিকেট বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে। ভোক্তাদের দুর্ভোগ দেখার কেউ নেই।

এলপিজি সংকটের সরাসরি আঘাত পড়ে নগরের ছোট-বড় খাবারের দোকানেও। হোটেল, রেস্তোরাঁ, ভ্রাম্যমাণ খাবারের দোকান অনেকেরই রান্নার প্রধান ভরসা এলপিজি। কিন্তু সিলিন্ডার না পাওয়ায় অনেক দোকানে চুলা জ্বলছে না, কোথাও আবার সীমিত মেনুতে ব্যবসা চালাতে হচ্ছে। চকবাজার ও দুই নম্বর গেট এলাকার কয়েকজন খাবার বিক্রেতা জানান, প্রতিদিনের বিক্রির বড় অংশ কমে গেছে। কেউ কেউ দোকান আগেভাগেই বন্ধ করে দিচ্ছেন, কারণ বিকল্প জ্বালানির ব্যবস্থা নেই।

বিক্রেতারা কী বলছেন : চট্টগ্রাম নগরের ষোলশহর, দুই নম্বর গেট, চকবাজার ও আতুরার ডিপো এলাকার অন্তত ১০টি দোকান ঘুরে দেখা গেছে, কোথাও সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে না। দোকানিরা বলছেন, পরিবেশকেরা গ্যাস দিচ্ছেন না। দুই নম্বর গেট এলাকার মেসার্স মোহাম্মদিয়া ট্রেডিংয়ের মালিক মুহাম্মদ আলী আজম জানান, এলপিজি আমদানি কমে যাওয়ার কথা বলে পরিবেশকেরা সরবরাহ বন্ধ রেখেছেন। গত এক সপ্তাহ ধরে সংকট চলছে। পরিবেশকেরা বলছেন, মাসের শেষ দিকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে পারে। খুচরা বিক্রেতা দীপক বিশ্বাস বলেন, দোকানভাড়া ও শ্রমিকের মজুরি ওঠানোই এখন কঠিন হয়ে পড়েছে। সরকার নির্ধারিত দামে গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না।

এলপিজির এই সংকট কৃত্রিম বলে মন্তব্য করেছেন ক্রেতা-ভোক্তাদের স্বার্থ সংরক্ষণকারী জাতীয় প্রতিষ্ঠান কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সহসভাপতি এস এম নাজের হোসাইন। তিনি বলেন, দেশে আমদানির সংকট নেই। আমদানি খরচও কম। তবু কৃত্রিমভাবে সংকটের সৃষ্টি করেছেন ব্যবসায়ীরা। এতে চরম দুর্ভোগে পোহাচ্ছেন ক্রেতারা। সরকারকে অবশ্যই দ্রুত এই সংকটের সমাধান করতে হবে।

এলপি গ্যাসে ভ্যাট কমানোর সুপারিশ জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের : এলপি গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে আমদানিতে ভ্যাট ১০ শতাংশ নির্ধারণ এবং স্থানীয় উৎপাদন পর্যায়ে ভ্যাট-ট্যাক্স অব্যাহতির সুপারিশ করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) চিঠি দিয়েছে জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগ। সরবরাহ সংকট, কারসাজির অভিযোগ এবং বিভিন্ন স্থানে অভিযানের মধ্যে এলপি গ?্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেড এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধ করে দেওয়ার পর বৃহস্পতিবার মন্ত্রণালয়ের এই উদ্যোগ এল।

এনবিআর চেয়ারম্যানের কাছে পাঠানো ‘এলপি গ্যাস আমদানি ও স্থানীয় উৎপাদন পর্যায়ে ভ্যাট ও ট্যাক্স পুণর্নিধারণ’ শীর্ষক চিঠিতে বলা হয়, দেশে এলপি গ্যাসের চাহিদার প্রায় ৯৮ শতাংশ বেসরকারি কোম্পানির মাধ্যমে আমদানি করা হয়, যা শিল্পখাত ও গৃহস্থালি—উভয় ক্ষেত্রেই ব্যবহৃত হচ্ছে। সাধারণত শীতকালে বিশ্ববাজারে ও দেশে এলপি গ্যাসের সরবরাহ কমে যাওয়ায় দাম বাড়ে। ‘একই সময়ে পাইপলাইনের প্রাকৃতিক গ্যাসের সরবরাহও তুলনামূলক কম থাকায় এলপি গ্যাসের চাহিদা আরও বেড়ে যায়। বর্তমানে এসব কারণে বাজারে তীব্র সংকট তৈরি হয়েছে এবং এর প্রভাব পড়ছে সাধারণ মানুষের ওপর।’

চিঠিতে বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে সংবাদমাধ্যমে গ্যাস সংকট নিয়ে একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশের পর এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (এলওএবি) নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মন্ত্রণালয়ের বৈঠক হয়। সেখানে এলপি গ্যাসকে ‘গ্রিন ফুয়েল’ বিবেচনায় আমদানি ও স্থানীয় উৎপাদন পর্যায়ে ভ্যাট ও ট্যাক্স পুনর্র্নিধারণের অনুরোধ জানানো হয়। ‘গত ১৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকের আলোচনায় এলপি গ্যাসের আমদানি পর্যায়ে বিদ্যমান ১৫ শতাংশ ভ্যাট অব্যাহতি প্রত্যাহার করে ১০ শতাংশ ভ্যাট আরোপ এবং স্থানীয় উৎপাদন পর্যায়ে আরোপিত ৭ দশমিক ৫ শতাংশ ভ্যাট, ব্যবসায়ী পর্যায়ের ভ্যাট ও আগাম কর অব্যাহতির প্রস্তাবকে সময়োপযোগী বলা হয়। তবে এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে ভোক্তা পর্যায়ে ব্যয় কতটা কমবে, তা বিশ্লেষণের প্রয়োজনীয়তার কথাও বলা হয়।’

মন্ত্রণালয় বলছে, উপদেষ্টা পরিষদের ওই সিদ্ধান্ত পরে এলপিজি অপারেটরদের সঙ্গে বৈঠকে উপস্থাপন করা হলে, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগ নীতিগতভাবে একমত পোষণ করে। যদিও অপারেটরদের একটি অংশ আমদানি পর্যায়ে ১০ শতাংশ ভ্যাটের পরিবর্তে শূন্য শতাংশ ভ্যাটের দাবি জানায়। চিঠিতে বলা হয়, উপদেষ্টা পরিষদের আলোচনার সঙ্গে অপারেটররা ওই প্রস্তাবে ‘একমত’ হয়েছেন।

বাজারে এলপি গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বর্তমান সংকট বিবেচনায় আমদানি পর্যায়ে ভ্যাট ১০ শতাংশের নিচে নির্ধারণ এবং স্থানীয় উৎপাদন পর্যায়ে ভ্যাট, ব্যবসায়ী পর্যায়ের ভ্যাট ও আগাম কর অব্যাহতির বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে অনুরোধ করা হয়েছে চিঠিতে। বিইআরসি জানুয়ারি মাসের জন্য এলপিজি ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম এক ধাক্কায় ৫৩ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৩০৬ টাকা করেছে। কিন্তু কমিশনের ঠিক করে দেওয়া দামে বাজারে এলপিজি পাওয়া যায় না।

সরবরাহ সংকটের কথা বলে গত এক মাস ধরেই প্রতি সিলিন্ডারে ৮০০ থেকে ১ হাজার টাকা বেশি রাখছেন বিক্রেতারা। মঙ্গলবার সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে জ্বালানি উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেন, এলপিজির ‘ঘাটতি নেই’, সংকটের কারণ ব্যবসায়ীদের একটি অংশের কারসাজি।

গ্যস সিলিন্ডারের দাম বেশি রাখার কারণে দেশজুড়ে অভিযান শুরু হলে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ ও বিক্রি বন্ধ করে দেন ব্যবসায়ীরা। তাতে চরম ভেঅগান্তিতে পড়ে সাধারণ মানুষ। এমন পরিস্থিতিতে ভ্যাটি কমানোর সুপারিশের পাশাপাশি আমদানিকারকদের জন্য ব্যাংক ঋণ ও এলসি (ঋণপত্র) খোলার প্রক্রিয়া সহজ ও দ্রুত করতে বাংলাদেশ ব্যাংককে চিঠি দেয় জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগ। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের কাছে পাঠানো পৃথক চিঠিতে বলা হয়, এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (এলওএবি) পক্ষ থেকে এলপিজি খাতকে ‘গ্রিন ইন্ডাস্ট্রি’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের গ্রিন ফান্ড থেকে সহজ শর্তে ঋণ সুবিধা দেওয়ার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে।

‘সংগঠনটির মতে, এ ধরনের সুবিধা দেওয়া গেলে এলপিজি খাতে সৃষ্ট সংকট নিরসন সম্ভব হবে এবং সরকার নির্ধারিত দামে ভোক্তাদের কাছে এলপি গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা সহজ হবে।’ চিঠিতে বাজারে এলপি গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ঋণ প্রাপ্তি ও এলসি খোলার আবেদন দ্রুত এবং অগ্রাধিকারভিত্তিতে নিষ্পত্তির জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বাংলাদেশ ব্যাংককে অনুরোধ জানানো হয়।

এলপি গ্যাসের দাম বৃদ্ধিতে সরকারের ‘দায়’ দেখছে সিপিবি : তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস-এলপিজির দাম অস্বাভাবিক বৃদ্ধিতে সরকারের দায় দেখছে বাংলাদেশের কমিউনিষ্ট পার্টি-সিপিবি। দলটির নেতারা বলছেন, বাজারে ‘কৃত্রিম’ সংকট তৈরি করে এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে, অথচ সরকার তাদের ধরছে না, তার মানে কি? তলে তলে সরকারের ‘সায় আছে’? না হলে, এত বড় সাহস তারা পায় কোথায়? বৃহস্পতিবার কারওয়ান বাজারের তিতাস গ্যাস কার্যালয়ের সামনে গ্যাস সমস্যার সমাধান ও গ্যাস সিলিন্ডারের ‘নৈরাজ্য’ দূর করার দাবিতে বিক্ষোভ শেষে সমাবেশে এসব কথা বলেন সিপিবি নেতারা।

গ্যাস সিলিন্ডারের দাম বৃদ্ধির জন্য সরকারকে ‘দায়’ দিয়ে সিপিবি সভাপতি সাজ্জাদ জহির চন্দন বলেছেন, আগামী তিন দিনের মধ্য এলপিজির দাম না কমালে এবং সংকট তৈরি করে নির্ধারিত মুল্যের চেয়ে বহুগুণ বৃদ্ধি বন্ধ না করতে পারলে দেশের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলবেন তারা। তিনি বলেন, ঢাকা শহরের পাড়া মহাল্লায় পাইপে গ্যাস না থাকার কারণে আজকে বাসা বাড়িতে চুলা জ্বলছে না। এই সংকট আমরা দীর্ঘদিন ধরে লক্ষ্য করছি। আমরা দেখছি যে এই সংকট নিরসনের ব্যাপারে সরকার কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেন না। অন্তর্বর্তী সরকার আছেন...তারা অনেক বড় বড় কথা বলছেন। তারা বাংলাদেশকে সিঙ্গাপুর প্যারিস লন্ডন পর্যন্ত বানিয়ে ছাড়ছেন। অথচ এই বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ যে কষ্টের মধ্যে আছে সেটাকে তারা বিবেচনা নিচ্ছেন না। সরকারের সায় না থাকলে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে সিলিন্ডার গ্যাসের দাম বাড়ায় কীভাবে, এমন প্রশ্ন রেখে সিপিবির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহীন হোসেন প্রিন্স বলেন, এই যে ওনাদের অফিস (তিতাস গ্যাস কার্যালয়) রাখবে কি, রাখবে না এটা তো সরকারের দায়িত্ব। সরকারের অন্যতম দায়িত্ব হল যে অফিস যদি রাখে... অফিস যাতে ঠিক মতো দায়িত্ব পালন করে। এখন অফিস কি ঠিকমত দায়িত্ব পালন করতেছে? আপনারা কি বাসা বাড়িতে ঠিকমত গ্যাস পাচ্ছেন? কারখানায় কি গ্যাস যায়? আমাদের সার উৎপাদন গ্যাসের সংকটে বন্ধ হয়ে আছে না? এর জন্য দায়ী হল সরকারের সরকারের নীতি। আমাদের দেশের মাটির নিচে গ্যাস আছে, সেই গ্যাস ঠিক মতো তোলা হচ্ছে না। যতটুকু তোলা হয় তাও ঠিক মতো ব্যবহার করা হচ্ছে না। এইটার পেছনে নতুন নাটক আছে। যদি দেশের গ্যাস ঠিক মতো তুলে সরবরাহ করলে দাম তো কমে যাবে। এই সরবরাহ যদি ঠিকমত না থাকে, তাহলে বিদেশ থেকে গ্যাস এনে বিক্রি করতে পারে।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত