ঢাকা রোববার, ২৪ মে ২০২৬, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

রাজশাহীতে প্রচণ্ড গরমে তালের শাঁসের চাহিদা বাড়ছে

রাজশাহীতে প্রচণ্ড গরমে তালের শাঁসের চাহিদা বাড়ছে

মহানগর ও আশেপাশের উপজেলাগুলোতে জ্যৈষ্ঠের তীব্র দাবদাহ ও ভ্যাপসা গরমে ওষ্ঠাগত হয়ে উঠেছে জনজীবন। প্রখর রোদের কারণে সৃষ্ট এই অস্বস্তিকর গরমে তৃষ্ণা মেটাতে মানুষ নির্ভর করছে প্রাকৃতিক খাদ্যের ওপর। গরমে তৃষ্ণা মেটাতে রাজশাহী মহানগরীর সর্বত্র এখন কদর বেড়েছে কচি তালের শাঁসের। পুষ্টিগুণে ভরপুর এবং সম্পূর্ণ ভেজালমুক্ত হওয়ায় সব বয়সী মানুষের প্রথম পছন্দ এখন প্রকৃতির এই রসালো উপহার।

সরেজমিন দেখা যায়, মহানগরীর সাহেববাজার জিরোপয়েন্ট, রেল স্টেশন চত্বর, লক্ষ্মীপুর মোড়, ভদ্রা মোড়, কোর্ট চত্বর, তালাইমারী ও আলুপট্টিসহ নগরীর অলিগলিতে ও রাস্তার মোড়ে মোড়ে ভ্যানে করে কচি তালের পসরা সাজিয়ে বসেছেন মৌসুমি ব্যবসায়ীরা। তীব্র গরমের কারণে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। এসব দোকানে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চলছে বেচাকেনা।

খুচরা বিক্রেতারা জানান, গরম যত বাড়ছে, তালের শাঁসের চাহিদাও তত লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। আকারভেদে প্রতিটি কচি তাল (যার ভেতরে ৩ থেকে ৪টি শাঁস থাকে) বিক্রি হচ্ছে ১৫ থেকে ২৫ টাকায়। আবার অনেক জায়গায় প্রতি পিস শাঁস খুচরা ৫ থেকে ৮ টাকা দরেও বিক্রি হতে দেখা গেছে।

নগরীর সাহেববাজার এলাকায় তালের শাঁস কিনতে আসা সুরমা নামের এক পথচারী বলেন, বাইরে প্রচণ্ড রোদ আর ভ্যাপসা গরম। ডাবের দাম অনেক বেশি। ডাব এখন সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে। সেই তুলনায় তালের শাঁস অনেক সাশ্রয়ী এবং এতে কোনো ভেজাল বা কেমিক্যাল থাকে না। এটি খেলে সহজেই তৃষ্ণা মেটে।

ব্যবসায়ী সাইফুল জানান, তারা খুব ভোরে রাজশাহীর গোদাগাড়ী, বাঘা, চারঘাট, তানোর এবং পবা উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম থেকে গাছচুক্তি কচি তাল সংগ্রহ করে মহানগরে নিয়ে আসেন। তবে গত বছরের তুলনায় এবার পাইকারি বাজারে তালের দাম কিছুটা বেশি।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত