ঢাকা শুক্রবার, ০২ জানুয়ারি ২০২৬, ১৮ পৌষ ১৪৩২ | বেটা ভার্সন

নতুন বইয়ে বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস

নতুন বইয়ে বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস

রংপুর ব্যুরো : নতুন বছরের প্রথম দিনে রংপুর জেলার আটটি উপজেলায় ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের মধ্যে নতুন পাঠ্যপুস্তক বিতরণ করা হয়েছে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, এবার জেলায় মোট ২০ লাখ ৪৯ হাজার ৭৭৬টি বই বিতরণ করা হয়েছে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গিয়েছে, এবার পাঠ্যপুস্তক বিতরণে শীর্ষে রয়েছে রংপুর সদর উপজেলা, যেখানে ৫ লাখ ৫৫ হাজার বই দেওয়া হয়েছে। মিঠাপুকুর উপজেলায় ৪ লাখ ৬ হাজার ৮২৪টি এবং পীরগঞ্জ উপজেলায় ২ লাখ ৪৩ হাজার ৩০৩টি বই বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া বদরগঞ্জ উপজেলায় ১ লাখ ৯৮ হাজার ৯০০টি ও পীরগাছায় ১ লাখ ৮৯ হাজার ৯০০টি করে এবং গংগাচড়ায় ১ লাখ ৮৮ হাজার ৩১০টি বই শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। কাউনিয়া ও তারাগঞ্জ উপজেলায় যথাক্রমে ১ লাখ ৪৮ হাজার ৯৩২টি এবং ১ লাখ ১৪ হাজার ৬০৭টি বই বিতরণ সম্পন্ন হয়েছে। উল্লেখ্য, বিতরণকৃত মোট বইয়ের মধ্যে ইংরেজি ভার্সনের চার হাজার বই অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

কক্সবাজার : নতুন বছরের প্রথম দিনেই নতুন পাঠ্যবই হাতে পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছে প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীরা। তবে মাধ্যমিক ও মাদ্রাসা পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য এখনও শতভাগ বই পায়নি। শহরের ঘোনাপাড়া, বইল্যাপাড়া ও কলাতলী এলাকায় গিয়ে এবং জেলার প্রতিটি উপজেলায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সরকারি-বেসরকারি প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নতুন বছরের শুরুতেই সব পাঠ্যবই পেয়েছে। তবে মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা আংশিক বই পেলেও এখনও বাকি বইয়ের অপেক্ষায় রয়েছে। শহরের বার্মিজ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী উম্মে সালমা বলে, বাংলা, ইংরেজিসহ সব বই হাতে পেয়েছি। নতুন বই পেয়ে খুব ভালো লাগছে। আমরা সবাই অনেক খুশি।

অন্যদিকে বাহারছড়া বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী নাজমুল হাসান বলে, তিনটি বই পেয়েছি। বাকি বইগুলো পরে দেওয়া হবে বলে শিক্ষকরা জানিয়েছেন। সব বই পেলে আরও বেশি ভালো লাগতো। কক্সবাজার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহীন মিয়া বলেন, জেলায় ৬৫৮টি প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং কিন্ডারগার্টেন মিলিয়ে মোট ৬ লাখ ২০ হাজার ৩৬৮টি বই বিতরণ করা হয়েছে। প্রাথমিক স্তরে শতভাগ বই বিতরণ সম্পন্ন হয়েছে। শিক্ষার্থীরা বই পেয়ে খুবই আনন্দিত। জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ গোলাম মোস্তাফা জানান, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড থেকে মাধ্যমিক স্তরের জন্য এখনও শতভাগ বই সরবরাহ করা সম্ভব হয়নি। তবে কোনো শিক্ষার্থী যেন বই ছাড়া না থাকে, সে লক্ষ্যে পর্যায়ক্রমে বই বিতরণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তিনি বলেন, কক্সবাজার জেলায় বর্তমানে ১০টি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ১৩৫টি বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ৭০টি নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং ১৪৭টি মাধ্যমিক পর্যায়ের মাদ্রাসা রয়েছে।

নওগাঁ : নওগাঁ জিলা স্কুল, নওগাঁ কেডি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও নওগাঁ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়সহ জেলার বিভিন্ন উপজেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নতুন বই বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়। সারিবদ্ধ ভাবে প্রতিটি শ্রেণিকক্ষে শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের মধ্যে বই বিতরণ করেন। নতুন বই পেয়ে শিক্ষার্থীরা উচ্ছ্বসিত, নতুন বইয়ের ঘ্রাণ ও হাতে বই পাওয়ার আনন্দ তাদের মধ্যে বাঁধভাঙা উল্লাস তৈরি করে। শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেন। এ সময় শিক্ষার্থীরা নতুন বইয়ের গন্ধ শুঁকে, পাতা উল্টে অনুভূতি প্রকাশ করেন। এটি তাদের পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ আরও বাড়িয়ে তুলবে বলে জানায় শিক্ষার্থীরা। নওগাঁ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের শিক্ষা ও আইসিটি বিভাগ সূত্রে জানা যায়- মাধ্যমিক, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মোট বইয়ের চাহিদা ২৮ লাখ ৪৮ হাজার ৮৬৬টি। এর বিপরীতে পাওয়া গেছে ২০ লাখ ৬৮ হাজার ১৮০টি বই। তবে প্রাথমিক ও প্রাক-প্রাথমিক বইয়ের চাহিদা ১০ লাখ ৮৮ হাজার ৯৯৫টি। চাহিদা অনুযায়ী বই পাওয়া গেছে। নওগাঁ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির অরিত্রা রায় জানায়- বছরের প্রথম দিন নতুন বই পাওয়ার যে আনন্দ তা বলে প্রকাশ করা সম্ভব না। বইয়ের গন্ধ অনেক ভালো লাগে। বার্ষিক পরীক্ষার পর বেশ কিছুদিন ছুটি পেয়েছিলাম। নতুন শ্রেণিতে নতুন বই, আবারও নতুন করে পড়াশোনা শুরু হলো।

নওগাঁ বিয়াম স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ শরিফুর রহমান বলেন- তীব্র শীত উপেক্ষা করে শিক্ষার্থীরা নতুন বই নিতে স্কুলে ভীড় করে। এ বছর বইয়ের মান ভালো মনে হয়েছে। বাংলা ভার্সনের অষ্টম শ্রেণির এবং ইংরেজি ভার্সনের ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে নবম শ্রেণির বই এখনও পাওয়া যায়নি। তবে আশা করা যায় শিগগিরই বইগুলো পাওয়া যাবে। বই হাতে পাওয়া মাত্রই শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণ করা হবে। নওগাঁ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাবেয়া খাতুন বলেন- নতুন বছরের প্রথম দিনেই শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দেওয়া হয়েছে। এতে তাদের মনোবল বৃদ্ধি পেয়েছে। তারা খুবই উচ্ছ্বসিত। চাহিদা অনুযায়ীই বই পাওয়া গেছে। ভালো কাগজ ও প্রিন্ট দেখে মনে হয়েছে গত বছরের তুলনায় এ বছর বইয়ের মান কিছুটা উন্নত মনে হয়েছে। যেটা বাচ্চারা পছন্দ করে। তবে বইয়ে যেসব কন্টেন রয়েছে তার পর্যায়ক্রমে বুঝতে পারা যাবে। নওগাঁ জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) শাহাদাৎ হোসেন বলেন, জেলায় মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য বইয়ের চাহিদা রয়েছে ২৮ লাখ ৪৮ হাজার ৮৬৬টি। এরইমধ্যে বই এসেছে ২০ লাখ ৬৮ হাজার ১৮০টি। যে পরিমাণ বই পাওয়া গেছে তা শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।

চুয়াডাঙ্গা : গতকাল সকাল থেকেই বিদ্যালয়ে ভিড় জমাতে শুরু করে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। আনুষ্ঠানিকতা শেষে নতুন ক্লাসে শিক্ষার্থীদের রেজাল্ট শিট যাচাই করে শিক্ষকরা হাতে তুলে দিচ্ছেন নতুন পাঠ্যবই। প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে সকালে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বই বিতরণ করা হয়। বেলা ১১টার পর তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বই দেওয়া হয়েছে। নতুন বই পেয়ে শিশুদের মধ্যেও দেখা গেছ ব্যাপক উচ্ছ্বাস। তবে প্রাথমিকের এই আনন্দের চিত্রটি সব জায়গায় এক নয়। মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে দেখা গেছে ভিন্ন বাস্তবতা। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শতভাগ বই পৌঁছালেও মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে চাহিদামতো বই না আসায় শিক্ষার্থীরা বই পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তায় রয়েছে। ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের জন্য চুয়াডাঙ্গা জেলায় ৪৪৫টি প্রাক-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত মোট ৪ লাখ ৮৩ হাজার ২৪১ কপি পাঠ্যবই দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ প্রাথমিক স্তরে শতভাগ বই সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে। অন্যদিকে জেলার ১৪৩টি মাধ্যমিক, দাখিল, দাখিল (ভোকেশনাল) ও কারিগরি স্তরের পাঠ্যপুস্তকের জন্য ১৩ লাখ ৪৫ হাজার ৪৮০টি চাহিদা দেওয়া হলেও সেখানে বই পেয়েছেন ৬ লাখ ৩১ হাজর ৩৮০টি।

চাঁদপুর : প্রাথমিকের শতভাগ এবং মাধ্যমিকের আংশিক বই বিতরণ করা হয়েছে। আগামী ১৫ জানুয়ারির মধ্যে সব বই শিক্ষার্থীদের মধ্যে পৌঁছে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে এনসিটিবি। চাঁদপুরের ৮ উপজেলায় সরকারি বেসরকারি মাধ্যমিক, মাদ্রাসা, ভোকেশনাল ও এবতেদায়ি ৫১৭ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ও ১ হাজার ১৫৭টি সরকারি প্রাথমিক স্কুলে ও জেলার ৬১০ কিন্ডার গার্ডেনে ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে মাধ্যমিক স্তরে ৫৭ লাখ ৯০ হাজার কপি বইয়ের বরাদ্দ হয়েছে। এর মধ্যে প্রাথমিকের ১২ লাখের উপরে রয়েছে। এসব বই আগেই স্ব স্ব স্কুলে প্রেরণ করা হয়েছে। এরইমধ্যে এসব বইয়ের চালান জেলায় এসে পৌঁছেছে বলে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে। তবে সব বই আসতে ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত সময় গড়াতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছে। তথ্য মতে, জেলার ২৮৪টি নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক স্কুল ও মাদ্রাসার জন্যে ৬ষ্ঠ- নবম শ্রেণি পর্যন্ত নতুন কারিকুলামের জন্যে নতুন বই আসছে। এ সব বই স্ব স্ব উপজেলা বই সংরক্ষণাগারে যথা সময়ের মধ্যেই এসে পৌঁছবে। প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে মাধ্যমিক, ভোকেশনাল ও এবতেদায়ি স্তরের বই হলো- ৩৫ লাখ ৭২ হাজার ৭৩২ কপি এবং জেলার সব প্রাথমিকের বই হলো ১২ লাখ ১৭ হাজার ২৪৭ কপি। মাধ্যমিক স্তর ৬ষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণি ইংরেজি ভার্সনের জন্য ১৩ হাজার ৩০০ এবং ভোকেশনাল হলো-৬৭ হাজার কপি এবতেদায়ি হলো-৫১ হাজার ১৪৬ কপি বইয়ের চাহিদা রয়েছে।

ভাণ্ডারিয়া (পিরোজপুর) : উপজেলার সরকারি ১৬২টি প্রাথমিক এবং ২০টি কিন্ডার গার্ডেনে প্রাক প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত নতুন বই বিতরণ করা হয়েছে। ৩৮টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৬ষ্ঠ, ৮ম ও ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের আংশিক নতুন বই বিতরণ করা হয়েছে। সপ্লাই না থাকায় ৭ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের হাতে বই দেওয়া সম্ভব হয়নি। ৩৮টি মাদ্রাসায় শুধু নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মধ্যে নতুন বই বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক রেহেনা আক্তার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মাধ্যমিক স্তরে স্থানীয় বিহারী লাল মিত্র পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে, মাদ্রাসা পর্যায়ে শাহাবুদ্দিন কামিল মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে এবং প্রাথমিক স্তরে ৬৮নং হাই সংলগ্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। পৃথকভাবে এ সব স্থানে বিরতণকালে অন্যান্যের মধ্যে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বদিউজ্জামানসহ প্রতিষ্ঠান প্রধানরা, শিক্ষক এবং অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।

কাউখালী (পিরোজপুর) : নতুন বছরের প্রথমদিনে প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও শিক্ষার্থীদের মধ্যে নতুন পাঠ্য বই বিতরণ করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় কাউখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আসাদুজ্জামান উপজেলা সদরের কাউখালী মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় উপস্থিত হয়ে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেন।

এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মনিবুর রহমান, কাউখালী সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুস্তাফিজুর রহমান, উপজেলা সহকারী শিক্ষক অফিসার রফিকুল ইসলাম, সবুজ কান্তি সিকদারসহ উক্ত বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। এরপরে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষকদের নিজেদের উদ্যোগেই সরকারিভাবে দেওয়া বই বিতরণ শুরু করে। এ সময় উপজেলার ৬৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রয়োজনীয় সব বই বিতরণ করা হয়। তবে মাধ্যমিক শাখায় ৮ম ও ৯ম শ্রেণির বই বিতরণ করা হয়েছে। ৬ষ্ঠ ও ৭ম শ্রেণির পাঠ্যপুস্তক না আসায় তা বিতরণ করা সম্ভব হয়নি জানিয়েছেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুল হান্নান। তবে আগামী সপ্তাহে সব শিক্ষার্থীর হাতে নতুন বই পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে বলে তিনি আশা করছেন।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত